Posts

Showing posts from February, 2024

1040>|| মা----তা----ল ||

  1040>|| মা----তা----ল ||            <----আদ্যনাথ---> মা----তা----ল খেয়ে মাল ঠিক থাকে তাল সেই হয় মাতাল। যার থাকেনা হুশ খেয়ে মদ আর ঘুষ সে লোভী নেশায় থাকেনা হুশ ধরা পড়লেই ফেরে হুশ। মাতাল বলবো কারে যে মদখেয়ে লুটিয়ে পড়ে নাকি একটু বেশি কথা বলে নাকি একটুতেই কাপড়ে-চোপরে হয়ে পড়ে। জাতে মাতাল তাকে ঠিক সে মাতালের জাত ঠিক। আর গুলো বজ্জাত ভারী মদের থেকে ভালবাসে তাড়ি। আর যারা আছে ছেঁচোরের দল যা হয় নেশা  দুগুন মাতালের ছল। ওরা ভন্ড মাতালের দল  শুধু দেখায় নেশার কেরামতি কেবল। তারাই মাতালের গুরু পাড় মাতাল, দিনরাত খায় মাল দুনিয়া যাক রসাতল। রাস্থারড্রেনে শুয়ে সমুদ্র স্নান ভাবে কুকুরের প্রস্রাবকে আকাশ ঝর্ণা ভাবে। নিতান্ত চুল্লু খোরেরা ভাবে নিজেই রাজা, পুলিশের পেন্দ্যানিতে কোমর সোজা। নেশায় মত্ত বৃদ্ধ যুবক শিক্ষিত আনপর, নেশার ঘোরে ভুলেযায় কে আপন কে পর। নেশা করেই ভাবনা নিজেকে কেউ কেটা, নেশা নাকরলে ওদের যায়না চেনা। ওরা যে মাতাল তালে ঠিক ওদের নজর ভাটির দিক। আজকাল হয়েছে নেশার নানান ছল বোঝা মুশকিল নেশারুর গ্যেরাকল। মদের নেশা গাঁজার নেশা পাতার নেশা ভারী, কে কোন ...

1039>|| বসন্তের স্মৃতিচারণ ||

  1039>|| বসন্তের স্মৃতিচারণ ||              <---আদ্যনাথ---> প্রকৃতিতে এলো বসন্ত, তাইবুঝি মনটিও শান্ত। পলাশ, শিমুল ফোটার অপেক্ষায়, মাঝে মাঝে কোকিলের কুহু শোনাজায়। মন বুঝি ডুবেজায় গভীর ভাবনায়, ফিরে যেতে চায় যৌবনের আঙিনায়। কত নাবালা কথা জমে আছে মনে, কত ভালোবাসা এখনো আছে হৃদয়ের কোনে। মন চায় ছুটে যেতে পাহাড়ি পথে, যেথা নিরালা শান্ত শীতল মনরথে। মনে আভাস জাগে বসন্ত আগমনের কত স্বপ্ন জেগে ওঠে অশান্ত মনে। কত বসন্ত হয়েছে পার এই জীবনে, হিসাব মেলেনা প্রকৃতির দাবানলে। মন অশান্ত শরীর জরাজীর্ণ  পথ আছে ভাবনায় আকীর্ন, তবুও মন চায় পৌঁছতে প্রকৃতির কোলে, শরীরের সকল অক্ষমতাকে ভুলে। প্রথম যেদিন এঁকেছিলাম চুম্বন প্রেয়সীর ঠোঁটে, সেই বসন্তের উষ্ণতা আজও মনেপরে। মনেপরে সেই লাজুক মুখের রক্তিম আভা সেই পলাশের প্রথম প্রস্ফুটিত হওয়া, প্রশ্বাসের সেই উষ্ণতার হৃদয় ছোঁয়া, আজও জমে আছে হৃদয়ের মাঝে, আজও স্বপ্ন দেখা সকাল সাঁঝে। বসন্তের আগমনে আজও জাগে শিহরণ, কেমনে ভুলি সেই যৌবনের মিলন ক্ষণ।  <------আদ্যনাথ রায় চৌধুরী----->       20/02/2024::-10:05 a...

1038>|| দু---র---ত্ব ||

           1038>|| দু---র---ত্ব ||                <-----আদ্যনাথ----> সময়ের দূরত্ব কোন দূরত্বই নয়, সে তো কেবল ভ্রান্ত চিন্তা ময়, মনের দূরত্বই প্রকৃত দূরত্ব, বন্ধুত্বের থাকেনা কোনই দূরত্ব। দূর যতই হোক একই আকাশের নিচে থাকা, আপন মনে বলা মনের অনেক কথা, মনের জানালায় দেখা হয়ে যায় ছবি, রোজ শুধু স্পর্শতেই রয়ে যায় ফাঁকি।                           স্পর্শও তো এক অনুভূতি, সাদরে  থাকে যদি অনুমুতি, নচেৎ ক্ষনিকের মনের কল্পনা, অন্তরমন এঁকে যায় আল্পনা। শীতের বৃষ্টি ঝড়া রাতে, গভীর ঘুমে স্বন দেখার ফাঁকে, মন চলে যায় যৌবনের প্রাক্কালে, প্রথম সেই প্রেমের অনুভূতির ছলে। যাকিছু আছে সব দিয়েও পাবোনা তারে, তবুও মন চলে যায় নিরালায় পেতে তারে। অনেক তো হোল আজও বৃষ্টি ঝড়ে, জানিনা তার ঠিকানা পাবো কেমন করে। মন বুঝি ছুটে যায়, লাগাম দেওয়া ভারী, জানিনা কেন চিন্তার বোঝাই হয় ভারী। সময়কে ফিরে পাওয়া অসম্ভব জানি, মন মানেনা তাই হৃদয় বেদনা ভারী। দূরে যে রয় সেই বোঝে সময়ের মাপ,...

1037>|| মৃত্যু এক নির্মম সত্য ||

 1037>|| মৃত্যু এক নির্মম সত্য ||                     <----আদ্যনাথ---> মৃত্যুকে কেন করো ভয়, মৃত্যু সদাই সত্য ও শান্ত হয়। জীবন হতে পারে নির্মম, ভয়ংকর, মৃত্যু সর্বদাই সত্য, শান্ত সুন্দর। মৃত্যুকে কেন করো ভয় এতো, মৃত্যু, মুহূর্তের খেলা সেতো। মুস্কিল তো এই 'জীবন' ধারণ, সে চলবে জানিনা কতক্ষন। এক মৃতের, সুন্দর উক্তি--- মৃত লাশ টি বলছে নীরবে--- দেখো সকলকে---- ওরা কতনা করছে ক্রন্দন,  আমার লাশের প্রতি দুঃখ জানাতে। এক্ষুনি যদি উঠে বসি সম্মুখে, এরাই বাঁচতে দেবেনা আমাকে। কারণ ওরা কাঁদছিলো, সম্পত্তির ভাগ-বাটরার লোভ ছিল, কে কতটা পাবে, সে বিষয়ে বিবাদ ছিল। লোক দেখানো চোখে জল ছিল, নিজের ভাগ বুঝে পাবার আকাঙ্খা ছিল, এই লাশের বৃথা চিন্তা কেন, লাশের দাহ করার বিলম্ব কেন? মানুষের জীবন নিয়ে গর্ব করে, কিন্তু মৃত্যু আসে সহজে নিঃশব্দে নীরবে। মানবদেহ/শরীর, মরণশীল নিশ্চয়, কিন্তু আত্মা অবিনশ্বর অমর অক্ষয়। মৃত্যু জীবনের এক কঠিন বাস্তব সত্য কিন্তু মেনে নেওয়া খুব কষ্টসাধ্য । মৃত্যু এক জীবনের শেষ মাত্র, কিন্তু কঠিন বাস্তব একান্ত সত্য। জীবন  সত্য,...

1036>|| অধিকার বোধ ||

 1036>||  অধিকার বোধ ||                           <-----আদ্যনাথ----> অধিকার বোধ এক হৃদয়ের বোধ, যে বোধ গৃহে বিশেষ উপযোগী বোধ, বিশেষ করে বৃদ্ধ বয়সে বোধের বোধ, গৃহস্বামীকে ভুলেও না টপকানোর বোধ। আর্থিক স্বচ্ছল সক্রিয় গৃহ কর্তা, তার অধিকার প্রবল সর্বত্র বার্তা। তারে উপেক্ষা করা অনধিকার চর্চা, বৃদ্ধ বয়সে অধিককিছু বলাই অপচর্চা। বৃদ্ধ বয়সে সদা সতর্ক থাকাই উচিত, নিজের সম্মানের চিন্তা করাই অনুচিত। নিজের সম্মানের চিন্তা নিজের কাছে, গৃহস্বামীর সন্মানের চিন্তাটাই অধিক। সমাজে বয়ঃজ্যেষ্ঠই গৃহস্বামী রূপে গণ্য, গৃহ অভ্যন্তরে সামর্থ ও অর্থের প্রভাব গণ্য। গৃহ অভ্যন্তরে অধিকার বোধ থাকাই শ্রেয়, নচেৎ ক্ষুদ্র কারণে  নিশ্চিত মনমালিন্য। তাই তো অধিকার বোধ শ্রেষ্ঠ বোধ বৃদ্ধ বয়সে গ্রহ শান্তির উৎকৃষ্ট বোধ। যে বোধে নিজ সত্তার নাই অধিকার, গৃহশান্তি বোধে সকলের অধিকার। ------------------------> চাকুরী জীবনে ছিলো অধিকার বোধ। চেষ্টা ছিল যথেষ্ঠ,অন্যকে অসম্মান না করা, কোনদিন কারুকে করিনি অসম্মান, আবার কারুর অসম্মান সহ্যও করিনি।...

1035> || ভালোভাবে বাঁচার মন্ত্র ||

 1035> || ভালোভাবে বাঁচার মন্ত্র ||             <----আদ্যনাথ---> ভালো ভাবে বাঁচতে হলে  নিজেকে ভাল বসতে হবে, সকলকে নিজের মতন ভাল বসতে হবে, অহঙ্কার নয় কৃতজ্ঞতা স্বীকার করতে জানতে হবে,সকল অপরাধ থেকে দূরে থাকতে হবে। তবেই সর্বত্র আদর পাবে। নিত্য শরীর চর্চার অভ্যাস করতে হবে, রোজ হাসতে হবে হাসি খুশি থাকতে হবে। রোজ প্রকৃতিক নিরামিষ আহার,  সাথে কিছু ফল খেতে হবে, সুষম আহারে সুষমা বাড়ে। পেট ভর্তি খাবার  কখনো নয়, কারণ পেট ভর্তি অতিরিক্ত আহার সর্বদাই বিষ তুল্য হয়। পেটে গোলমাল ঘটায়। মাঝে মাঝে নিয়ম করে উপবাস ও রোজ উচিত পরিমান জল পানে স্বাস্থ্য সুন্দর হয়। রোজ ভোরের রোদ গায়ে লাগাতে হয়। রোজ সঠিক ঘুম  ঘুমাতে হয়। রোজ নিয়ম করে একটু ধ্যান করতে হয়,  তবেই মন ও মস্তিষ্কের সুন্দর সতেজ হয়।অবশ্যই ভালো বন্ধুদের সঙ্গ করতে হয়।       <-----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী----->    08/02/2024::10:15 pm=(1035) ========================

1034>|| বদল তো মানুষের ধর্ম ||

   1034>|| বদল তো মানুষের ধর্ম ||                <-----আদ্যনাথ-----> বদল তো জীবনে ঢেউ তোলে সময়ে বেঁচে থাকার উপায় বলে। জীবন তো স্থির নয় বৃক্ষের মতন, জীবন চলমান ঝড়ের মতন। থমকে গেল ফসিল হবে, নয়তো শীতল বরফ হবে। জীবনে গতি তো রাখতেই হবে, জীবন থেমে গেল লাশ হবে, পঞ্চ ভূতে বিলীন হবে জীবন ছবি হয়ে ফ্রেমে বন্ধি হবে। কিন্তু অহঙ্কার মানুষকে বদলাতে দেয় না। অহঙ্কার মানুষকে বাঁচতে দেয় না। অহঙ্কার ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়, অহঙ্কার মানুষকে অমানুষ বানায়। অহঙ্কার তো প্রকৃতির বিরূপ, অহঙ্কারের রূপই বিরূপ, অহঙ্কারের বিচার হয় না, অহঙ্কার নিজেকে নিজেই ধ্বংস করে। বিনয় মানুষকে সফলতার চূড়ায় পৌঁছে দেয়। অহংকার মানুষকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। মানুষ তো সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ অমৃতের পুত্র, সে পৌছেদেয় তাঁর জীবনের বার্তা সর্বত্র, মানুষ ধ্বংসের ওপরে গড়ে তোলে নুতন সৃষ্টির সৌধ। মানুষের নির্বোধ কৃত কর্মে রুষ্ট প্রকৃতি যখন চালায় ধ্বংশলীলা, তারপরে আবার শুরুহয় মানুষের সৃষ্টির পালা। এভাবেই চলে ধ্বংসের পরে সৃষ্টি সর্বত্র, তাইতো মানুষ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ অমৃতের পুত্র।  জীবনের আরেকনাম...

1033>|| জীবনের হিসাব ||

       1033>|| জীবনের হিসাব ||                        <--আদ্যনাথ---> জীবন পাতায় যতই লেখ হিসাব নিকাশ কিছুই রইবে না। ভালোবাসার হাসি টুকু কেউ ভুলবে না। অহঙ্কার লোভ লালসা ভয়ঙ্কর  শত্রু, জীবনের চাহিদা ভালোবাসার অশ্রু। ভালোবাসার প্রতিদান দিতে হয় সময়ে, নচেৎ ভালোবাসার জন যায় হারিয়ে। ভালোবাসা যায় না মাপা কোন দাঁড়িপাল্লাতে, জীবনের হিসাব নিকাশ সময়ের অপেক্ষাতে। জীবন আর সময় কেউ থেমে থাকেনা, সময় বয়েজায় জীবনের ভাবনা। ভাবনার দুরন্ত গতি সময়কে হারাতে চায়, হারজিতের চাহিদা সময়ে মনকে হারায়, মনের চাহিদা হারজিতে না কুলায়, সময় হারিয়ে গেলে ফেরেনা সেথায়। জীবনের হিসাব বড়ই কঠিন, ভাবনার ওপার,  মনের ভাবনাই ভালোবাসার অলঙ্কার, ভালোবাসার নাই কোন মাপার যন্ত্র, ভালোবাসার শুরু থাকলেও নাই কোন  অন্ত। সমুদ্রের ও আছে তল, ভালোবাসার গভীরতা অতল, অন্তহীন ভালোবাসা হৃদয়ে বেদনা বাড়ায়, চাওয়া পাওয়ার উর্দ্ধে প্রেম আকুলায়। ভালোবাস এক স্বর্গীয় সুখের হাতছানি। ভালোবাসার নাই কোন জাত পাত মানি। মন চায় ভালোবাসকে আলগে রাখতে, চঞ্চল মন চায় ভাল...

1032>|| ক্ষমাই শ্রেষ্ঠধর্ম ||

      1032>|| ক্ষমাই শ্রেষ্ঠধর্ম ||                           <----আদ্যনাথ----> ক্রোধ সর্ব্বগ্রাসী অগ্নিসম সর্ব্বনাশ হয়, ক্রোধে অপচয়,ক্রোধে সর্ব্ব বিনাশ হয়। ক্রোধে ব্যাভিচার সর্বদা সর্ববিধ্বংসী হয়, ক্রোধে তাপ,ক্রোধে পাপ ক্রোধেই  কুলক্ষয় হয়। অক্রোধী তথা ক্রোধহীন সর্বলোকের পূজনীয় হয়, ক্ষমা হি পরমধর্ম অন্য ধর্ম নয়। অষ্টাঙ্গ,বেদাঙ্গ যজ্ঞ্ হতে শ্ৰেষ্ঠ কর্ম দান, ক্ষমী সর্ব্বদা দীপ্যমান। ক্ষমাশীল দেবতুল্য সর্ব্ব জনে মানে, ক্ষমা বিনা শুভ ধর্ম কর্ম হয়না জগতে। ক্ষমা রূপ দিব্য অস্ত্র শ্ৰেষ্ঠ রূপে গণ্য, জগত সুন্দর প্রকৃতির দানে পরিপূর্ণ। প্রকৃতির শ্রেষ্ঠ রক্ষক বন বৃক্ষ সকল, মানুষ শ্রেষ্ঠ হয়েও ধ্বংস করে সকল। মানুষ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ সত্য, অহঙ্কার ও দম্ভ মানুষ কে করে বিনাশ। মানুষের অন্তর শিক্ষাও জ্ঞানের ভান্ডার, তথাপি প্রকৃতিরে করে দূষিত বার বার। বিশ্ব প্রকৃতি যদি হতো দূষণ মুক্ত, শ্রেষ্ঠ সুন্দর হতো জগৎ প্রকৃতির ছন্দ। সর্বত্র বইতো প্রেমের ঐকতান, মানুষ নিজ গুনে হয় সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ মহান। রোইতোনা বিদ্বেষবিষ হানাহানি...

1031>|| সুখ দুঃখ মনের ভাবনা(1--2) ||

      1031/1>||  সুখ দুঃখ মনের ভাবনা ||                   <-----আদ্যনাথ---> প্রকৃত সুখ ও দুঃখ মানুষের অজানা, সুখ দুঃখ উভয়ই মনের ভাবনা। মানুষের মনে আজ যা সুখের কারণ, কাল সেটাই হতেপারে দুঃখের কারণ। দুঃখ বিনা সুখ রায়না ভুবনে, সুখ দুঃখ একে অন্যের কারণে। সুখ দুঃখ একে অন্যের পরিপূরক মাত্র, সুখ দুঃখ ক্ষনিকের প্রকৃতির লীলা মাত্র।  সুখ সেটুকুই.. যেটুকু নাগাল পাওয়া যায়, নাগালের বাইরের গুলিই দুঃখ মনে হয়। নাগালের বাইরে ধরে রাখতে গিয়ে সুখ ফসকে যায়, আর সুখের বদলে সবটুকু দুঃখই রয়ে যায়। এভাবেই সুখ কে হারিয়ে দুঃখকে আঁকড়ে ধরে ফেলি, লোভে পাপ,পাপই মৃত্যুর এমন কারণ গুলি, বাড়ন্ত লোভ লালসা বড়ই ভয়ঙ্কর তামাশা, জীবন ভুলে যায় ত্যাগেই শ্রেষ্ঠসুখ ভালবাসা। সুখ দুঃখ উভয়ই ক্ষণ স্থায়ী মাত্র,। সময়ে সবই আশার ছলনা মাত্র, যা আছে আরও পাবার চেষ্টা মাত্র, আশা আছে তাই লোভ বাড়ে সর্বত্র। আশা ছাড়া বাঁচেনা জীবন, আশার বার বাড়ন্ত লোভের কারণ। লোভ তো ভয়ঙ্কর মনের বিকারের কারণ, বড়ই কঠিন এই লোভের সংবরণ।        <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---...

1030>|| মন ও তার ভাবনা ||

       1030>|| মন ও তার ভাবনা ||                                              <---আদ্যনাথ-----> হঠাৎ কারুর মনে ধরা বা পছন্দের হয়ে যাওয়াটা আনন্দের ব্যাপার, তৎক্ষনাৎ মনে জাগে আনন্দ বার বার। আজীবন পছন্দের থাকা বড়ই কঠিন ব্যাপার। অনেক ঝড় ঝাপটা হয় সইতে,  অশান্ত মনকে হয় লাগাম দিতে। পছন্দ, অপছন্দ দুটোই মনের ব্যাপার, মন থাকে ভাবনার অধীন আবার। মনের খেয়ালে বদলাতে পারে ভাবনা, ভাবনা বদলে গেলেই মনের যাতনা। মনের যাতনা অস্থির মনের কারণ, শান্ত মনেই হয় অস্থিরতার নিবারণ।     <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---> ===========================

1029>|| সর্বসুন্দরই স্বর্গ ||+(1)

1029>|| সর্বসুন্দরই স্বর্গ || 1029/2> || खुद से प्यार करो | ========================= 1029>|| সর্বসুন্দরই স্বর্গ ||          <----আদ্যনাথ----> যেথা সুন্দর সেথাই স্বর্গ  নিঃস্বার্থ সুন্দর মন আদরের যোগ্য। সুন্দর ভাবনা দিতে পারে সুন্দর জীবন তাইতো যেমন ভাবনা পাওয়াও তেমন। নিজেকে ভালোবাসতে পারলেই জগৎ কে ভালোবাসা যায়। তবেই জীবন সুন্দর আদরণীয় হয়, তখন সকল জীবকে ভালোবাসা যায়। কোথায় স্বর্গ কোথায় নরক কে বলতে পারে, স্বর্গ নরক উভই নিজের ভাবনার অন্তরে মানুষের মন নিজেথেকেই  স্বর্গকে নরক ও নরক কে স্বর্গ বানিয়ে দিতে পারে। মন আর ভাবনা জীবনকে গড়ে তোলে, যেমন ভাবনা, জীবন তেমনি গড়ে ওঠে। সুন্দর সকাল শুভ দিনের প্রতীক, সুন্দর ভাবনাই জীবন গড়ে সঠিক।    <--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---> ========================== 1029/2> || खुद से प्यार करो ||                    <-----आद्यनाथ----> यदि आप खुद से प्यार कर सकते हैं,  तो आप दुनिया से प्यार कर सकते हैं। और इसी तरह जिंदगी खूबसूरत होते है, और सभी प्राण...

1028>|| ভালো লাগে,সৃষ্টির স্রষ্টাকে ||

 1028>|| ভালো লাগে,সৃষ্টির স্রষ্টাকে ||             <---আদ্যনাথ--> দিনটি 17/04/79 রাঁচিতে ছিল মিটিং,  Dhanpuri থেকে আসেছিলাম রাঁচি। (Dhanpuri-Amlai, South Eastern Coalfields Limited,) সেখানে গিয়ে জানতে পারলাম  মিটিং টি ক্যান্সেল হয়ে গেছে। বচ্চন বললো কিআর করা। রাঁচিতেই দুইদিন থেকে যাই ওদের বাড়িতে। বচ্চনের বাড়ি স্টেশনের কাছে। বিকেলে বচ্চন নিয়েগেল  ওর বন্ধুর বাড়িতে । সে নাকি খুব সুন্দর ক্রিকেট খেলে। সেদিন বুঝেছিলাম একপলক দেখেই বুঝেছিলাম ছেলেটি নিশ্চই হবে কেউ বিশাল,  বুঝতে পেরেছিলাম  দূর প্রসারী তার প্রতিভা। কিছুদিন পরে---হঠাৎ সেই প্রতিভা,এক ঝলক দেখলাম আজ। সুন্দরকে সুন্দর বলতে ভালো লাগে মনে অনেক নুতন আশা জাগে, হৃদয়ে নুতন প্রেরণা জাগে। ওদের বুঝিয়ে নিজে বুঝলাম কিছু পাবার আগে দিতে হয় খানিক, তাইতো সে বুঝি দিয়েছ অনেক, নিজের মনের চাহিদা মাফিক। খুব সুন্দর,দেখলাম দুচোখ ভরে আরো সুন্দরের অপেক্ষায়  চেয়ে আছি দুয়ার খুলে। তাইতো এতো ভালো লাগে, সৃষ্টির অকৃপণ স্রষ্টাকে। বারবার দেখি  শুধু চেয়েথাকি  তবু মেটেনা আশ,বাড়ায়ে দুহাত,...

1027>|| ভালোর ভালো ||

       1027>||  ভালোর  ভালো ||           <----আদ্যনাথ----> ভালোর ভালো তো জগৎ ভালো, ভালোর সংজ্ঞা গুলি বেজায় ভালো, ভালোর বিচার নিজের বিচার্য নয়, ভালো সে সকলে যারে ভালো কয়। ভালো তুমি ভালো আমি ভালো সকল মানুষ জন, ভালো কে বোঝা যায় নিজে ভালো যখন, জীবজন্তু পশু পাখি সকলেই ভালো হয়, প্রকৃতির সৃষ্টি ঘৃণিত কোন কিছুই নয়। আঁধার আছে তাই আলোর মর্যাদা বুঝি, ঘৃণা আছে তাইতো ভালোবাসা বুঝি, মন, প্রান, আদর দিয়ে ভালোবাসি যাকে, তার বুকে স্নিগ্ধ মিষ্টি গন্ধের আকর্ষণ থাকে। বুকের সেই সুগন্ধি যেন প্রেমের বরুণা, স্বপ্নে জাগরণে বুঝি তারে ভোলা যায় না, সে-যে প্রেম পিরিতে আদরের আতুর ঘর, স্বপনে শয়ানে জাগরণে ভালোবাসার ঘর। ভালোবাসা রূপে প্রেম যখন চোখের নেশা  ভালোবাসার ফাঁদে সেই তো সর্বনাশা, ভালোবাসায় যদি থাকে লোভ লালসা, সে ভালোবাসা দুঃস্বপ্নের অধিক সর্বনাশা। ভালোবাসা নয়-গো সুন্দর কামনার ছলে, প্রেম ভালোবাসা উদার সুন্দর মনবলে, ভালোবাসা হৃদয় খোঁজে আদরে স্বপ্নে, ছলনার ব্যার্থ প্রেম বুঝি হৃদয় কে ভাঙে। ভালোবাসার পরশে গন্ধে হৃদয় মধুর হয়, প্রেমের পরশে মনে  ক...

1026>|| মা আছেন অন্তরে ||

   1026>|| মা আছেন অন্তরে ||                  <---আদ্যনাথ---> ঠাকুর বলেছিলেন: "বিসর্জন দিলেই তিনি যাবেন কোথা,মা কি কখনো তার সন্তানকে ছেড়ে থাকতে পারে গো ,এই তিনদিন তিনি তোমাদের দালানে বসে পূজো নিয়েছেন, এইবার তিনি তোমার অন্তরে বসে পূজো নেবেন ।"        সবার অন্তর সেই মাতৃসুধায় সিক্ত হোক, মঙ্গল ময়ী মা আমাদের সকলের মঙ্গল করুণ। মঙ্গল হোক শুভ হোক সকল সুন্দর হোক, শারদীয় বিজয়ায় সকল সুন্দরের পূজা হোক। প্রকৃতি আজ সুন্দর মায়ের আশীষে মা এসে আবার ফিরেগেলেন কৈলাশে। মা শিখিয়ে গেলেন ভালো থাকার মন্ত্র, জাতিধর্ম নির্বিশেষে এক সাথে থাকার মন্ত্র। শিখিয়ে গেল সকলকে বালবাসতে, শিখিয়ে গেল সকলের হৃদয় জয় করতে। অশ্রু তো সকলের সমান,  যেমন সকলের রক্তও লাল, তাই তো সকলকেই করতে হবে সন্মান, সকলকে দিতে হবে তাঁর উপযুক্ত সন্মান। সন্মান দেওয়া পাওয়া একান্ত নিজের ব্যবহার, নিজেই ভাঙতে হবে নিজের অহঙ্কার। মায়ের শক্তি সদাই আছে সাথে, সকল শুভ কাজে মা থাকেন অলক্ষ্যে সাথে। গড়তে সমাজ সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন আমাদের হতে হবে সুন্দর মনভাবাপণ্য, যেমন করে ...

1025>|| ভোগ ও ভয় ||

   1025>|| ভোগ ও ভয় ||          <----আদ্যনাথ----> আধুনিক সভ্যতা ভোগেই স্থিত, বস্তুবাদী সভ্যতা সর্বদাই ভীষণ ব্যাস্ত, সকল মানুষ  তীব্র প্রতিযোগিতায় মত্ত, ভোগের তীব্র লালশায় অতিশয় তটস্থ। ভোগবাসনার কোনও নিবৃত্তি পথ নাই তাইতো আত্মসমীক্ষারও উপায় নাই। সমাজে প্রতিযোগিতা প্রতিদিন বাড়ন্ত, সর্বস্তরে হিংসাদ্বেষের ও নাই কোন অন্ত। ভোগের দুনিয়ায় কে কার জন্য ভাবে, সকলেই ব্যস্ত নিজের আখের গোছাতে। কিসের সন্মান, কে করে কাকে সন্মান! আজ সকলেই নিজে নিজেই মহান। বর্তমান অহং সর্বস্ব এই সমাজে, কিছু মানুষ সর্বদা ভালোসেজে থাকে। একদিন ভালোর মুখোশ টা ঝরে পড়ে, তখনই ভালোরূপধারী ভয়ঙ্কর হয়ে পড়ে। সকলেই মত্ত নিজের আত্মগরিমায়, সকলেই ব্যস্ত নিজের প্রচার অভিলাষায়। ভোগেই প্ৰতিষ্ঠিত এই আধুনিক সভ্যতা, বস্তুবাদী ভোগেমত্ত এই সমাজ সভ্যতা। হিংসার মূল উৎস ভয়কে ভর করে, ভয় মানবিক পরিবেশকে বিকৃত করে। তাইতো ভয়কে জয় করতেই হয়, মৃত্যু ভয়ই ভয়ের ভীষণ রূপ নিশ্চয়। মৃত্যু এক  জীবনের পরিসমাপ্তি মৃত্যু সত্য নিশ্চিত ও অবশ্যম্ভাবী। মৃত্যু এক জীবনের অন্তিম শ্বাস, মৃত্যু ভয়ে ভীতিই মৃত্যুর সমতুল বি...