Posts

Showing posts from January, 2024

1024>|| চাঁদের গায়ে চাঁদ লেগেছে ||

  1024>|| চাঁদের গায়ে চাঁদ লেগেছে ||              <----আদ্যনাথ ---> চাঁদের গায়ে চাঁদ লেগেছে, আমরা ভেবে করব কি? ঝিয়ের পেটে মায়ের জন্ম, তাদের তোমরা বলবে কি? ছয় মাসের এক কন্যা ছিল, নয় মাসে তার গর্ভ হল, আবার এগার মাসে তিনটি সন্তান, এগার মাসে তিনটি সন্তান, কোনটা কোরবে ফকিরি। চাঁদের গায়ে চাঁদ লেগেছে, আমরা ভেবে করব কি? চাঁদের গায়ে চাঁদ লেগেছে। ঘর আছে তার দুয়ার নাই, লোক আছে তার বাক্য নাই গো, হায় হায় লোক আছে তার বাক্য নাই গো। আবার কে বা তাহার আহার যোগায়, কে বা তাহার আহার যোগায়, কে দেয় সন্ধ্যাবাতি। চাঁদের গায়ে চাঁদ লেগেছে, আমরা ভেবে করব কি? চাঁদের গায়ে চাঁদ লেগেছে। লালন ফকির ভেবে বলে, ছেলে মরে মাকে ছুলে গো,-- হায় হায় ছেলে মরে মাকে ছুলে গো,-- আবার এই তিন কথার অর্থ নইলে, এই তিন কথার অর্থ নইলে তার হবেনা ফকিরি। চাঁদের গায়ে চাঁদ লেগেছে, আমরা ভেবে করব কি? চাঁদের গায়ে চাঁদ লেগেছে। ================ গানটি লালন ফকিরের রচনা।  অনেকে মনে করেন যে লালন ফকিরের গুরু সিরাজ সাঁই এর নির্বিকল্প সমাধি হলে সেই অবস্থা দেখে এবং পরবর্তীতে সিরাজ সাঁই এর ...

1023>|| তুমি বন্ধু কতো দূরে ||

   1023>|| তুমি বন্ধু কতো দূরে ||                  <----আদ্যনাথ---> সূর্য ও চাঁদের আলো লুকানো জায়না, বন্ধু জতদুরেই থাকুক না কেন  বন্ধুর স্মৃতি ভোলা জায়না, তোমার মতন বন্ধুকে হৃদয়ে দিয়েছি স্থান, তোমাকে কটু কথা বলা নিজের অপমান। যতক্ষন কাছে থাকো তুমি, সেই সুখকে কি করে ভুলি। আজ তুমি আছো দূরে, তোমার পরশ ভুলবো কি করে। দূরে নয় শুধু সময়ের অন্তরালে, তবুও ভাবলেই হৃদয়ে ব্যাথা লাগে। আজ তুমি দূরে ক্ষনিকের অন্তরালে, দূরে নয় আছো মানস চোখের আড়ালে। তোমাকে মনে পড়ে রোজ সকালে, মনে পড়ে দিনান্তে গোধূলি কালে। বন্ধু তুমি আছো আমাদের হৃদয়ে, রোজ সকলকে রাখো আদরে ভরিয়ে। তোমার হৃদয় ভরা করুণা মাখা স্নেহ, আমি অর্বাচীন ভুলবো কেমনে কেহ। কেন এ মন আজ তোমাকেই খোঁজে, অস্থির মন আজ তোমাকেই খোঁজে। জানিনা আবার কবে দেখা হবে, প্রাণ খোলা স্নেহে  ভরিয়ে দেবে। এসো বন্ধু এসো তরা করে এসো,  মনে কত গল্প জমে আছে দেখো। আমি নই মন আর কলম নিজেই লিখছে, এখনও এ চোখ দুটি তোমাকেই খুঁজছে।   <-------আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->          03/12...

1022> || শূন্যতা ||

      1022> || শূন্যতা ||           <----আদ্যনাথ--> অর্থের শূন্যতা,শূন্যতা নয়, অর্থের শূন্যতা ক্ষনিকের হয়। চেষ্টায় সফল হলে গেলে  শূন্যতা মিটেযায় সময়ে। আর্থিক শূন্যতা জীবনকে ভাবায়, মৃত্যু রূপ শূন্যতা জীবনকে কাঁদায়। আর্থিক শূন্যতা হয়তো মেটে সময়ে, মৃত্যু রূপ শূন্যতার পূর্নতা হয়না জীবনে। প্রিয়জনের শূন্যতারে প্রকৃত শূন্যতা কয়, প্রিয়জনের শূন্যতা হৃদয়ের শূন্যতা হয়। প্রিয়জনের শূন্যতা গভীর ভাবায়, যে শূন্যতা চিরতরে কাঁদিয়ে যায়, একাকীত্ব জীবন ততোধিক ভাবায়, মিটাতে চাইলেও মানেনা হৃদয়। জীবন সদাই অর্থ খুঁজতেচায়, আপন জনের মৃত্যু বার বার কাঁদায়। জীবন প্রিয়জনকে কাছে পেতে চায়, দুঃসময়েই আপন জন চেনা যায়। শূন্যতার বোঝা বওয়া বড়ই দায়, দূর্বল চিত্তে সেই বোঝা বওয়া অসম্ভব প্রায় জীবন জানেনা মৃত্যুর রং,রূপ,গন্ধ, জীবন জানে প্রেম নিশ্চিত অনুভূতি অঙ্গ। জীবন খোঁজে আর্থিক শূন্যতার কারণ, জীবন চেষ্টা করে আর্থিক শূন্যতা করতে পূরণ। মৃত্যুর কারনে শূন্যতা আসবেই সময়ে, আর্থিক শূন্যতা হয়তো মিটেযায় সময়ে। জন্ম মৃত্যুর খেলা চলে প্রকৃতির কারনে, আর্থিক সুখ ও দুঃখ আসে সকল জীবনে। ...

1021>|| অর্থ ও মানুষের মন ||

     1021>|| অর্থ ও মানুষের মন  || মানুষ নিজের প্রয়োজনে সৃষ্টি করেছিলো অর্থ, আজ যেন অর্থই সৃষ্টি করছে মানুষবকে তার নিজের খেয়ালে। কি অদ্ভুত এই অর্থ,  ততোধিক অদ্ভুত মানুষের মন। পৃথিবীর লক্ষ কোটি জীবের একমাত্র মানুষই অর্থ রোজগার করে অর্থ সঞ্চয় করে। কিন্তু কেউই অনাহারে মরেনা। তথাপি মানুষ এই অর্থের জন্য কত মারামারি হানাহানি কত শত্রুতা। তবুও জীবনের নাই কোন নিশ্চয়তা। মৃত্যু আসার এক মুহূর্ত আগেও মানুষ জানতে পারেনা বা মৃত্যুকে আটকাতে পারেনা। জীবনে অর্জিত সমস্ত অর্থ সামগ্রী সকল কিছুর বিনিময়েও ফিরে পাওয়া জায়না অতীতের এক মুহূর্ত সময়। আটকে রাখা যায়না মৃত্যুর একক্ষণ। মৃত্যু দেয়না এক মুহূর্তের একবার একটি  অধিক শ্বাসের সময়। মানুষের সৃষ্টি অর্থই আজ মানুষকে করছে সমূলে গ্রাস।    <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---> ============================ ========================

1020>|| সেদিনের চড়ুইভাতি ||

 1020>|| সেদিনের চড়ুইভাতি ||                           <--আদ্যনাথ--> মনেপরে সেদিনের সেই চড়ুইভাতি, ছোটবেলায় সব বন্ধুরা মিলে,  ভীষণ আনন্দের সেই শীতের সকালে, ভালোলাগার শ্রেষ্ঠ অনুভূতির কালে। একদিন ছিল আমাদের শৈশব, আর ছিল চড়ুইভাতি আনন্দের উৎসব। আজ হারিয়ে গেছে সেই ছোট বেলা হারিয়ে গেছে আমাদের ছেলে বেলা। পিকনিক হয়তো আজও হয়  শীতকে উপলক্ষ করে কিন্তু সেই মনকে কি খুঁজে পাই আজকের দিনে? আছে কি সেই নিজেদের রান্না করার আনন্দ? আছে কি সেই প্রাণ খোলা মেতে ওঠা আনন্দ? সেদিনের অনাড়ম্বর কিন্তু অনুভূতির সেই ক্ষণ, আজও শীতের সকালে রোদে বসে মনে পরে সেই ক্ষণ। কত চিন্তা ভাবনার হিসেব নিকেশ, দিন ভর কত জল্পনা কল্পনার আবেশ। আমরা সকলে জড়ো হতাম, কদিন আগে থেকে স্কুলে, খেলার মাঠে জল্পনা চলতো সকলে মিলে একসাথে। সলের উৎসাহ কাজ বেছে নিতে, হবে চড়ুইভাতি বন্ধুরা একসাথে, মিলের মাঠের ওই জাম গাছের নিচে, 31সে ডিসেম্বর বা 1লা জানুয়ারিতে, শীতে রোদ পোহাতে পোহাতে। ইট দিয়ে উনুন বানিয়ে,  রান্না করতাম কাঠ জ্বালিয়ে। নাকে মুখে ধোঁয়ার তীব্র দাপটে, আগ...

1019>|| কেউ মনে রাখেনি ||

     1019>|| কেউ মনে রাখেনি ||                  <----আদ্যনাথ----> কেউ মনে রাখেনি ওরা, রোজের আড্ডায় ছিল জারা, সব ভাবনাকে দূরে সরিয়ে রাখা, সময়ে অসময়ের ভাবনা ছিঁড়ে ফেলা, সময় বড়ই নিষ্ঠুর মানেনা মানা, সময়ের অছিলায় অনেক অজানা। সেদিন ছিলোনা মানা, ছিলোনা সময়ের তারা। ছিল শুধুই ছুটে চলা, অজানাকে জানা, আর ছিল উদ্যম, সব কিছু ভেঙে গড়া। অনেক হারিয়েও জ্যেষ্ঠ বয়সে পেয়েছিল বন্ধু। সকলেই নিজের মনের কথা বোলতো, হাসি মজাতেই দিনগুলি কাটতো, চলতো সান্ধ্য আড্ডা ষাট ঊর্ধ্বে ওরা, আড্ডার নিয়ম ছিলোনা বাঁধা ধরা, তবুও রোজ  আড্ডায় বসত ওরা, আড্ডাতো মনের কথা উজাড় করা, কেউ হয়তো চায়না অন্যের কথা শুনতে, সকলেই ব্যস্ত নিজের রঙিন কথা বলতে, হাসি, আনন্দ জরুরি নানা কথার ফাঁকে, কারুর মনে হয়তো ব্যাথা লুকিয়ে থাকে। একসাথে ছিলো বয়ঃ জ্যেষ্ঠরা,  সান্ধ্য আড্ডায় হাসি খুশি থাকতো ওরা, বোধহয় কারুর মনভারী চিন্তার বোঝাতে, তাইতো চায়না অন্যের অসুবিধা বুঝতে। হঠাৎ মাতলো আনন্দে সকলে ওরা শীতের পিকনিকের ছলে, কেন জানিনা আমায় গিয়েছে ভুলে, সামান্য কিছু সময়ের গ্যেরা কলে। যাক ও...

1018>|| শীত এলো ||

 1018>|| শীত এলো ||                                         <----আদ্যনাথ---> হঠাৎ শীত এলো তাই  আনন্দ মনে, এবার সোয়েটার কম্বল বার হবে। এতদিন ওরা বাক্স বন্ধি হয়ে ছিল, শীতের শুরুতেই ওগুলো রোদে দেওয়া হল। শীত মানেই নুতন খাবারের লোভ, পিঠেপুলি,মোয়া খাবারের লোভ। শীতের সকালে খেজুর রসের লোভ, নলেন গুড়ে আর জয়নগরের মোয়া। শীতে নিত্য নুতন ব্যঞ্জনের খোঁজ, শীতে মনের আনন্দে ভুঁড়ি ভোজ। শীতের রকমারি সবজি ও মিষ্টান্ন শীত মানেই ভুঁড়ি ভোজ ও দিবানিদ্রা এতো আনন্দেও ভীষণকিছু কষ্টের অনুভব, কতো দুঃখী জন পথে-ঘটে,ওদের রাত কাটানোই অসম্ভব। ভোর বেলা স্টেশনে দেখেছি ওদের দুটিকে উদোম গায়ে চটের বস্থা জড়িয়ে ভাই বোনক দুটিকে। দুটি কুকুরের বাচ্চাও ছিল ওর সাথে, রাত ভর ওরা ঘুমিয়ে ছিল এক সাথে। বোধহয় ছেলেটি কত স্বপ্ন দেখেছে হয়তো, নিশ্চই ওদের বাবা মা  ভুলে গেছে হয়তো। কাঠ পাতায় আগুন জ্বালিয়ে রাত কাটে, শীতের রাতে এমনি করেই কুঁকড়ে থাকে। শীত ও বর্ষার প্রচন্ড দাপটে ওরা অসহায়, কুকুরের বাচ্চাগুলি ও ওরা একে অপরে...

1017> || দৃষ্টি ও বোধি ||

      1017> || দৃষ্টি ও বোধি ||              <---আদ্যনাথ-->           চোখের দৃষ্টি সুন্দর হলে           মনে আনন্দ লহরে। মনের দৃষ্টি সুন্দর হলে প্রকৃতিকে সুন্দর লাগে।           উভয় দৃষ্টি সুন্দর হলে           জগৎ পরিবেশ কথা বলে। দৃষ্টি সুন্দর হলে গৃহের শোভা বাড়ে।            দৃষ্টি সুন্দর হলে            সদা শান্তি বিরাজে। দৃষ্টি সুন্দর হলে হৃদয় কথা বলে।              দৃষ্টি সুন্দর হলে      জগৎ সংসার সুন্দর লাগে। শান্তচোখ যখন মনকে দেখে মন হৃদয়কে দেখতে শেখে       হৃদয় জাগতিক শক্তিকে অনুভব করে জাগতিক শক্তি কুণ্ডলিনীকে জাগিয়ে তোলে, কুণ্ডলিনী জাগরণে  সাধকের জ্ঞান চক্ষু খোলে। জ্ঞান চোখ মানুষকে শ্যেষ্ঠত্বের পথ দেখায়, সাধক লোভ,অহঙ্কারও ক্রোধ বর্জন করতে পারলে, বোধি লাভ করে।     <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--...

1016>|| 2024 শুভ হোক সকলের তরে ||

1016>|| 2024 শুভ হোক সকলের তরে ||                 <----আদ্যনাথ------> পেরিয়ে গেলাম  জীবনের আরও একটি বৎসর, পেরিয়ে গেলাম কিছু সুখ দুঃখের ক্ষণ, পেরিয়ে গেলাম কিছু পুরাতন দিন, পেরিয়ে গেলাম কিছু চাওয়া পাওয়া। মনে পড়ে কিছু হারিয়ে যাওয়া মনে পড়ে সেই নূতনকে খুঁজে পাওয়া মনে পড়ে কিছু পেয়েও হারিয়ে যাওয়া মনে পড়ে অনেক আশায় ছুটে চলা। ভুলিনি বন্ধুদের হারিয়ে যাওয়া ভুলিনি করোনার গ্রাসের কথা ভুলিনি দিনের পর দিন বন্ধি হয়ে থাকা ভুলিনি দুঃখ ভরা সেই দিনের কথা। কিছু চিন্তা রয়েগেল মনে, কিছু নুতন পাওয়ার লোভে, কিছু হারিয়ে যাবার ক্ষোভে, কিছু চিন্তার জটিল ফাঁদে। অনেকেই হারিয়ে গেছে, অনেকে ভুলে গেছে, অনেকে মন থেকে মুছে গেছে অনেকে স্বার্থ খুঁজে চলেছে। কেউ হয়তো নুতন কিছু পাবার লোভে, কেউ হয়তো ইচ্ছে করেই ভুলে গেছে, কেউ হয়তো চাইছেনা মনে রাখতে কেউ হয়তো অনেক আশায় বসে আছে। জানি কেউ চলে গেছে দূরে, জানি অনেকেই আসবেনা ফিরে, জানি অনেক ভুলতে হয় সময়ে, জানি কেউ রয়ে যায় মনের গভীরে। আজ পুরাতনকে তো বিদায় দিতেই হবে, আজ নূতনকে স্বাদরে ধরে রাখতেই হবে, আজ ভেদাভেদ সব ভুলতেই হবে, আজ 2024 ন...