Posts

Showing posts from August, 2025

1100|| মনের খোঁজে ||

      1100|| মনের খোঁজে ||         <---- আদ্যনাথ----> অনেক কিছুই বলার আছে, মনের কথা মনেই লুকিয়ে থাকে। কিছু বললেই চারিদিকে হৈ-হৈ হবে, হক কথা বললে নিজের শরীরেই খোঁচা দেবে।  অনেক ভেবে,অনেক দেখে,চুপ থাকাই উচিত হয়, এই ধরায় মাঝে কেউ কী কারুর হয়! সেটা বুঝেও না বোঝাই উচিত হয়। আসলে সংসারটাই গোলক ধাঁধা মনেহয়। যা ছিলো নিজের, সকলই বাজে খরচের ফর্দ, যত ঠেলা ঠেলেছি,অবিশ্রান্ত ঘাম মুছেছি। সকলই নিজের দোষে নিজ কর্ম করেছি, আজ বুঝি ফেলে আসা দিনগুলো ভুলেছি। জানতে হবে বুঝতে হবে গার্হস্থ্য শেষ পর্ব বুঝি, যে পর্বে ভোগের জ্বালাই ভোগ হবে বুঝি। এভাবেই চিরন্তন শান্তির খোঁজ মেলে বুঝি, শান্তির খোঁজে, অনেক জ্বলতে হবে বুঝি। শান্তির ঠিকানা লুকিয়ে মনের গভীরে, তাকে খুঁজতেই এগিয়ে চলা শান্ত মনে। গুরুমন্ত্র ই একমাত্র পথ, খুঁজতে শেষ ঠিকানা, গুরু নিয়েছেন ভার, তিনিই ভেরাবেন তরণী খানা।     <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী----> ========================

1099>|| জাগজের নৌকা ||

   1099>||  জাগজের নৌকা  ||              <-----আদ্যনাথ----> শৈশবে, সাধের কাগজের নৌকা গুলি,  সেই কবেই হারিয়ে গেছে, হয়তো সময়ের প্রবাহে ভেসে গেছে, জানিনা কোন অতল তলে,তলিয়ে গেছে। তবুও মনেপড়ে তারে বারে-বারে, নৌকা গুলি ভাসিয়ে ছিলাম আদরে। বৃষ্টির জমা জলে উঠোনে, হেলে-দুলে চলতো হাওয়ার বেগপানে। আজও সেই স্বপ্ন আছে মনের গভীরে, শৈশবের আনন্দ ক্ষণ ভুলি কি করে। সেদিনের কল্লোলিত শৈশবকে ভুলেযাওয়া,  যেন স্বপ্নসুখের গল্পগুলি হারিয়ে যাওয়া। বর্ষার  দিনে কাগজের নৌকার খেলা চলতো যখন, বাবা মা ব্যস্ত থাকতেন ঘর গোছাতে তখন। কে জানে কখন জল ঢুকেযায় ঘরে, সেদিনের চিন্তা আছে মনের গভীরে। মাটির দেওয়াল মাটির উঠোন, জলের স্রোত বয়ে চলে বেগে জখন। আতঙ্ক দেখেছি বাবা মায়ের মুখে, আমরা ব্যস্ত থাকতাম নৌকা ভাসাতে জলে। সেই আনন্দ ক্ষণে ছিলোনা ভয়ের চিন্তা মনে,  বানভাসি তেওঁ ,খুঁজতাম কাগজের নৌকা এখানে সেখানে। চারিদিকে জল আর জল আমাদের মজার সে দিন, ঘরছাড়া হয়ে স্থান হতো স্কুলে বর্ষার কদিন। শৈশব চিন্তাই সুখের চিন্তা, এড়িয়ে যাওয়া যায়না বাস্তব চিন্তা। স্বপ্নগুল...

1098>|| সেদিন ও আজ ||

 1098>|| সেদিন ও আজ ||         <---- আদ্যনাথ---> প্রীতিদিনেরব রোজ নামচা অনেক গল্প, সেদিন শ্রেষ্ঠত্বের দাবি  রাখতো আমার স্বপ্ন। ভাবনা গুলি ছিল সকলের স্বার্থে, আজ বয়সের ভারে সকলি ব্যর্থ। বিকেলের সেই আড্ডাটা নিশ্চই মনে আছে, কলেজের শেষে একসাথে এক টেবিলে বসে। সেই আড্ডার কথা চিরদিন মনে থাকবে, সব ঘটনাই মনের গভীরে  সজাগ আছে। কফি হাউসের সেই আড্ডার দিনগুলি মনে হয় হারিয়ে গেছে সেই দিন গুলি, বিকেলের আনন্দের সেই দিনগুলি। আজ আর নেই…আজ আর নেই---। স্বপ্ন হারালেও মন আছে সতেজ, চাওয়া না পাওয়ার ভাবনা গুলি শেষ। আজ আছে একান্ত চিন্তার রেশ, নুতন কিছু করবার মন-নিবেশ। ভাবছি এবার চলবো একা, যতদূর যায় পথের দেখা, চলবো গ্রাম থেকে গ্রামে, জঙ্গলের পাকদন্ডী বেয়ে। এবার খুঁজতে হবে শেষ ঠিকানা, আলগা করতে হবে  বাঁধন খানা। অনেকতো হলো এবার নিজেকে খুঁজি, শেষ সম্বল শরীর টুকুই আছে পুঁজি। জানি শরীরের নাম মহাশয় যাহা সহাবে তাহাই সহ, সময় তো বলবান অতি সত্য, আজ রোজনামচায় শরীর বাঁধক নিত্য। তবুও মনবল রাখতে হবে কঠিন, শেষ ঠিকানা তো সময়ের অধীন। কে জানে কখন আসবে শেষ ফরমান, সময়ের মানদণ্ডে ব্যর্...

1097>|| জীবন ||+|| অমরত্ব ||

1097>|| জীবন ||+|| অমরত্ব ||           || জীবন ||           <---আদ্যনাথ---> জীবনটা যদি মজার বা আনন্দের না হতো, তবে জীবন দুঃখময় হয়ে উঠতো। তবে জীবন কঠিন,যে মানুষ যত বোকা তার জন্য জীবন ততই কঠিন ও দুর্বিষহ। জীবনকে ভালো বাসতে হয় তবেই জীবন সুন্দর হয়।      <------আদ্যনাথ---->         11/08/2025::6:00am. ========================    ||  অমরত্ব ||           <--------আদ্যয়নাথ------> কাউকে ভালোবাসলে তবেই তার প্রকৃত ভালো মন্দ বোঝা যায়। তেমনি জীবনকে ভালোবাসলে তবেই জীবনের প্রকৃত সত্তা ও জীবনের অর্থ বোঝা যায়।  ভালোবাসাই জীবনের শ্রেষ্ঠ ও সার কথা, ভালোবাসাতেই সব কিছু জয় করা সম্ভব। ভালোবাসাই জীবনের প্রথম ও শেষ কথা। জীবন শুরু হয় ভালোবাসা দিয়ে, জীবনের শেষ যদি হয় ভালোবাসা দিয়ে  সে জীবন ধন্য হয় জগৎ মাঝে। পরবর্তী জীবন তাকে স্বরণ করে, শ্রদ্ধা করে। এভাবেই জীবন অমর হয় জগতে। তাইতো সকলকে ভালোবাসতে পারা ও সর্বদা হাসতে পারা জীবনের শ্রেষ্ঠ গুণ।     <--...

1096>|| শেষ ইচ্ছা ||

      1096>|| শেষ ইচ্ছা ||    <----আদ্যনাথ--->08/08/2025 মন চায় একটু জিরোতে হেথায়, শান্ত নিবিড় নিরালা যেথায়। যেথা মন জুড়াবে নির্মল পবনে, তন জুড়াবে স্নিগ্ধ প্রকৃতি-সনে। বেদনা জর্জরিত শ্রান্ত এই কায়া, খোঁজে নিরালা সুনিবিড় ছায়া। একটু মনরম স্নিগ্ধ শীতল হওয়া, উচাটন মন চায় প্রকৃতির ছোঁয়া। শান্তির পরশ চায় অস্থির প্রাণে, জানিনা কিসের আশায় কে জানে, বেঁধেছিলাম ঘর-সংসার কোন মায়ার ছলনে। জর্জরিত আজ হাজার শৃঙ্খল বন্ধনে। মন চায় পৌঁছতে নিজ নিকেতনে, হেথায় ক্লিষ্ট মন হাজার আবর্তনে। ভাবনা গুলি ছোটে অলীক স্বপ্ন পথে, চিন্তার স্রোত অন্তঃশীলা ভাবনার সাথে। মনে শঙ্কা, পৌঁছবো কিনা অভিষ্ঠ আলয়ে, কাম,ক্রোধ,লোভ,ত্যাজেছি আয়াসে, ভুলেছি সকল চাওয়া পাওয়ার ইচ্ছা, মনে আছে শুধু আর্তের সেবার ভাবনা। কে জানে কতক্ষন চলবে স্বাস জীর্ণ শরীরে, শক্তির অপচয় নিত্য জীবন যৌবনে, ভাবনা ছিলো লাগাম ছাড়া উন্মত্ত, ছিলোনা শাসনের বেড়াজালের স্যত্ব। ছিল বাউন্ডুলে ভ্রমনপিপাসু জীবন, সকল দ্বায়িত্বকে হেলায় ভুলেছি, জীবনের বহু পথ একলাই চলেছি, লোভ লালসা সকল অনর্থক ভেবেছি। কর্মে একনিষ্ঠ ও সততা ছিল দৃঢ় পন, অলসতা চিরতরে দি...

1095>|| মূর্খ-আমি ||

 1095>|| মূর্খ-আমি ||       <----আদ্যনাথ----> মূর্খ-আমি-কুর্খ-হে, মূর্খ এই সংসারের জন্য যে। হাজারো চিন্তায় জড়িয়ে মনকে, নিজের ভাবনায় জড়াই নিজেকে। সারদিনের কত চিন্তা ভাবনা, কোনটাই ধোপে টেকে না। জে-জার মতন ভাবনা ভাবে, দোষ জত আমার ভাবনায় খোঁজে। যতই ভাবি মনখুলে বলবো কথা, ভাবনা গুলি সকলি যায় বৃথা। কিসের ভালো কিসের মন্দ, কোন চিন্তারই থাকেনা ছন্দ। যা কিছু ভাবি, বলি করি আলাপ, সকলি যেন পাগলের প্রলাপ। কত চিন্তা কত ভাবনা, নিত্য নুতন পরিকল্পনা। আসলে মূর্খ তাই অহেতুক ভাবনা, জানি আমায় ভাবনায় কেউ সাথ দেবেনা। তথাপি ভাবনা তো ভাবাবেই, কিছু ভাবনার আগল খুলবেই। স্বপ্ন গুলি যায় উরেজায়,  নিত্য নুতন ভাবনা পাখায়। মন-জে-চায় বাঁধতে খাঁচায়, শূন্য হাত যে দিগন্তে ধায়। <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---> =======================