Posts

Showing posts from August, 2024

1062>|| নীলকন্ঠ ||

 1062>|| নীলকন্ঠ ||          <----আদ্যনাথ---->      নবমিররাত্রি অতিক্রান্ত প্রায়,     ওরে নীলকন্ঠ কোথা গেলি আয়,     আয় তরাকরে আয়, বেলাযে যায়,     যেতে হবে রাত্রি শেষ হলো যে প্রায়।   নীলকন্ঠ দেখাদেয় নবমীর দুই দন্ড প্রায়,  বৎসর অন্তে একবার নীলকন্ঠ সারা দেয়,  সে জানে তাকে যেতে হবে শিবালয়,  তাইতো নবমীর শেষ লগ্নে তার খোঁজ হয়। ওরে নীলকণ্ঠ যাও তরা করে শিবানী পৌঁছবেন কৈলাশে শিবের ঘরে। সেদিন মা এসেছিলেন হিমালয়ের ঘরে মা ছিলেন চারদিন মর্তে মেনকার ঘরে। আজ মা আছেন আমাদের ক্লাবঘরে, বিশাল বিশাল প্যান্ডেলে সুসজ্জিত ঘরে। মায়ের পূজা হোল মহা ধুম ধাম করে, বাচ্চা বুড়ো সকলের আনন্দ কি আর মনে ধরে। কতো প্রসাদ সুসজ্জিত খিচুড়ি ভোগ, সাথে নানা ব্যঞ্জন বহু তরকারি। মা ছিলেন সুখে মা মেনকার আদরে, আজ শিবানী ফিরে যাবেন নিজের ঘরে, পারলামনা আর তারে ধরে রেখতে আদর করে। চারদিন আমাদের আনন্দ ছিল মাকে ঘিরে, নানারূপে সাজিয়ে মাকে মহা উল্লাসে, করেছি মায়ের আদর যত্ন সকলে মিলে। আমারদের আনন্দ চলেছে চারদিন ধরে। আবার মা আসবেন সেই ...

1061>|| মূল্য বোধ ||

 1061>|| মূল্য বোধ ||             <------আদ্যনাথ----> মূল্য বোধে ও ফ্রিতে কিছু পাওয়া আজকের ডিজিটাল যুগে মূল্য বোধ বোধহয় অনেকাংশে  আর্থিক মূল্যবোধের ওপরে নির্ধারিত।  ভালো মন্দের মানও আর্থিক মূল্য বোধে নির্ধারিত। কারন:------- ক্ষমতা থাকলে মিথ্যাকথাও  বাণী।  টাকা থাকলে মূর্খও জ্ঞানী। শুধু শক্তি থাকলেই বাহুবলি, আর শুধু টাকা থাকলেই ধনি। সহজে ও ফ্রিতে পাওয়া জিনিষ গুলিই মহামূল্যবান। যেমন রোদ,হাওয়া,বৃষ্টি, মাতৃ স্নেহ ও সুখ শান্তি, নিঃ খরচায় পাওয়া শ্বাস বায়ু,জীবনকে বাঁচিয়ে রাখা। প্রকৃতির দান না পেলে বাঁচেনা জীবন, তাইতো রোদ আর বৃষ্টি, না হলে হবেনা নূতনের সৃষ্টি। আবার যার যত আর্থিক মূল্য, সে ততই অনর্থের মূল। হীরক যতই মূল্যবান হোক অহঙ্কার বোধ ছাড়া কিছুই নাই তার মূল্য। নিঃ খরচায় পাওয়া মাতৃ স্নেহ  অমূল্য অপার, আছে প্রকৃতির দান রোদ, বৃস্টি হাওয়া,  সর্বত্রই বিনে পিয়সায় যায় পাওয়া। নিজেকে জানা ও চেনাই শ্রেষ্ঠ জ্ঞান ও কঠিন অতি, আর অপরকে উপদেশ দেওয়াই অজ্ঞানতা ও সহজ অতি।     <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী----> ===============...

1060>|| जीवनकी एक सच ||

 1060>|| जीवनकी एक सच ||           <--------आद्यनाथ-----> जीवन पबित्र होते हैं तब,  जब मन पबित्र होते हैं तब। और मन पबित्र होनेसे, आत्मा भी पबित्र होते हैं। आत्मा पबित्र होनेसे  सारे दुनिया आपना हो जाते हैं। सारे दुनिया अपना होनेसे  रोग बलाई भी दूर होते हैं। इसी तरा जीवन ही संजीवन बनजाते हैं, जीवन उद्दार होजाते हैं। जीवात्मा परमात्मासे भेट होंते हैं। समाज तथा देश  की कल्याण होते हैं। अध्यात्म में मनुष्य भगवान बन जाता है, लेकिन हमेशा के लिए जीवित नहीं रहता.  अर्थात मनुष्य जीवन अमर नेही होते हैं।  उनका शरीर नष्ट हो जाते हैं लेकिन उनकी स्मृति अमर हो जाते हैं ।    <-----आधनाथ राय चौधुरी------> আধ্যাত্মিকতায় মানুষ দেবতা হন, কিন্তু চিরজীবী হয় না। শরীর ধ্বংস হইলেও তাহার স্মৃতি অবিনাশী। দুর্লভ রত্ন যখন সুদূর্লভ হয়, তখন নিভৃতে পূজা লইবার জন্য তাহার স্মৃতি আমাদের বুক জুড়িয়া বসে। এমন দুর্লভ মানুষজন্ম পেয়েও না পেলে তাঁরে  জীবন আর জন্মটাই বৃথা যাবে। ========================

1059>|| সংসারের বোঝা ||

 1059>|| সংসারের বোঝা ||           <------আদ্যনাথ-----> "যে সংসারের বোঝা বয়,  সেই একদিন সংসারের বোঝা হয়।"         সম + সার=সংসার। সং টাই সার সেইতো সংসার, ঢং টাই সার সেইতো সংসার। ঢং আর সং মিলেই সংসার। সেই ঢং, সং,এর সংসারের, বোঝা বওয়া আর বোঝা হওয়া, সবই সময়ের হাত বদল। জীবন যতক্ষন ততক্ষণই অদল বদল। শেষটার ছবি হয়ে রওয়া কেবল। বৎসরে একবার মালা পাল্টাবে হয়তো, স্বার্থ না থাকলে সেটুকুও জুটবেনা হয়তো। আসলে চিন্তার কোন কারন নাই, সংসারকেই বোঝাহয় নাই। সংসারকে বোঝাই কঠিন, সেই কঠিনের বোঝা হয়ে আবার তাকে বোঝা ,বুঝতে পারাটাই কঠিন। সেজে কি ভীষণ বোঝা ,  সেই বোঝার রহস্য বুঝতেই আমি অস্থির। সংসার=সম + সার। সংসার= অর্থ জীবের পুনর্জন্ম চক্র। সংসার=অর্থ "বিশ্ব" সমগ্র বিশ্ব। সংসার এক রহস্যময়  যেমন জীবনও এক রহস্য ময়। জীবনের ব্যাখ্যার শেষ নেই, সংসারেরও ব্যখার শেষ নেই। জীবন ও সংসার দুই রহস্য ময়, তাইতো সংসার অসার মাত্র হয়। বাইবেলে  চারটি রহস্যের কথা বলেছে। ব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টি, আলোর জন্ম, আকাশ সৃষ্টি  এবং মাটির সৃষ্টি। এবং বিজ্ঞান লে...

1058>রামকৃষ্ণ মিশনের প্রতীকটির অর্থ ।

  1058>রামকৃষ্ণ মিশনের প্রতীকটির অর্থ । প্রতীক বা  emblem এর অর্থ, সেই সংঘের উদ্দেশ্য কে মানুষের কাছে তুলে ধরে। রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রতীকটি নিজের হাতে এঁকেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ এমেরিকায় এক হোটেল বসে। হোটেলের টিস্যু পেপারে। যার সম্পুর্ন অর্থ এমন::--- ★★>তরঙ্গায়িত জল কর্মের প্রতীক ★★>প্রস্ফুটিত পদ্ম ভক্তির প্রতীক ★★>উদিয়মান সূর্য্য জ্ঞানের প্রতীক ★★>সাপ যোগ ও কুন্ডলিনী শক্তি জাগরণের প্রতীক ★★>রাজহাঁস (পরমহংস) পরমাত্মার প্রতীক পঞ্চভূতে সমাহিত,যোগাসাধনার মহা শক্তি কর্ম, ভক্তি, জ্ঞানের মাধ্যমে পরমাত্মাকে লাভ করা। কর্ম, ভক্তি, জ্ঞানই জীবনের প্রথম ও শেষ কর্তব্য। প্রতীকটি ভালো করে লক্ষ্য করলেই দেখা যাবে ও বোঝা যাবে প্রতীক টির অন্তর্নিহিত অর্থ। যেটি মনদিয়ে একবার দেখলেই সর্বক্ষনের জন্য মনে গেঁথে রবে। একটু চিন্তা করতে চাইলেই চোখের সামনে উদিত সূর্যের ন্যায় জ্বল জ্বল করে ফুটে উঠবে অপূর্ব এই প্রতীক চিহ্ন যেটি  রামকৃষ্ণ  মঠ ও মিশনের প্রতীক, সর্ব ধর্ম সমন্বয়ের এই অত্যাশ্চর্য প্রতীক। যে প্রতীকের ব্যাখ্যা করার সাহস তিনিই করতে পারেন যিনি বেদ বেদান্ত ও সকল শাস্ত্র ...

1057>|| ভক্তির শক্তি ||

  1057>|| ভক্তির শক্তি  ||         <----আদ্যনাথ-----> ভক্তির শক্তির অমোঘ টান, ভক্তির শক্তিতে পাল্টে যায় মান। ভক্তির শক্তিতে ব্রহ্ম সাকার ও নিরাকার, ভক্তির শক্তিতে মৃন্ময় হয়ে ওঠে চিন্ময়, ভক্তির শক্তিতে অন্ন হয় ওঠে প্রসাদ, ভক্তির আত্মনিবেদনে ক্ষুধার নাম হয় ব্রত, ভক্তির শক্তিতে জল হয় চরনামৃত, ভক্তির রসে সংগীত হয় ভক্তিসংগীত। ভক্তির আকর্ষণের যাত্রাই তীর্থ যাত্রা, ভক্তির প্রভাবে ঘর হয় মন্দির। ভক্তির শক্তিতে শিক্ষা হয় জ্ঞান, ভক্তির শক্তিতে প্রকৃতি  বিজ্ঞান, ভক্তির শক্তিতে সাধক হয় নির্মল মুক্ত সদানন্দ। ভক্তির শক্তিতে  বাড়ে চেতনা, ভক্তির শক্তিতে দূর হয় সকল কামনা, ভক্তির শক্তিতে দূর হয় মনের বাসনা, ভক্তির শক্তিতে বাড়ে আত্মবিশ্বাস, ভক্তির শক্তিতে মনহয় অভয় বাড়ন্ত আশ্বাস, ভক্তির শক্তিতে মন হয় বিশুদ্ধ উদার, ভক্তির শক্তিতে মিটেযায় "আমি,আমার", ভক্তির শক্তিতে করুনাই সৃষ্টির আঁধার, ভক্তির শক্তির টানে দুরত্ব হয় নিকট , ভক্তির শক্তিতে মানুষ হয়ে ওঠে ঈশ্বর, ভক্তির শক্তিতে জীবে প্রেম বাড়ে নিরন্তর, ভক্তির শক্তিই সর্বশক্তি জগৎ সংসারে, ভক্তির শক্তিই আনন্দস্বরূপ ঐশ...

1056>|| ঘুম ভাঙার দিশা |

  1056>|| ঘুম ভাঙার দিশা ||        <----আদ্যনাথ---> সদা সত্যকথা বলা, মনেমনে ঈশ্বরের প্রার্থনা করা, হাতে অসহয়কে সাহায্য করা, মুখে সর্বদা মিষ্টি হাসি মাখা, দৃষ্টিতে থাকবে সহানুভূতি ভরা, হৃদয়ে থাকবে প্রেম ভালোবাসা, তবেই মিলবে আত্মবিশ্বাসের দিশা, এভাবেই পূর্ন হবে মনের সকল আশা, জীবন পরিপূর্ণ হবে মিলবে নুতন দিশা, এভাবে সমাজকে শেখাবে নুতন দিশা, এভাবেই বাড়ুক ঘুমভাঙ্গার গান,  সমাজ কল্যাণে হও আগোয়ান।   <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->         20/08/2024;;;02:14:12             ==========================

1055>|| ভুলতে চাই ||

   1055>|| ভুলতে চাই ||      <---আদ্যনাথ---> ভুলতে চাই অনেক কিছু, ভুলতে চাই নিজের কিছু, ভুলতে চাই ফেলেআসা কিছু, ভুলতে চাই স্বপ্ন দেখা কিছু। ভুলতে চাই মনের ভাবনা কিছু, ভুলতে চাই চাওয়া পাওয়া কিছু, ভুলতে চাই নিজের পিছুটান কিছু, ভুলতে চাই ছায়ার অন্ধকার কিছু। ভুলতে চাই ভুলে ভরা সময় কিছু, ভুলতে চাই না দেখেও দেখা কিছু, ভুলতে চাই না শুনেও শোনা কিছু, ভুলতে চাই অতীতের ভাবনা কিছু। ভুলতে চাই আগামী দিন গুলির কিছু, ভুলতে চাই নুতন স্বপ্ন দেখা গুলি কিছু, ভুলতে চাই নিজের ভালো লাগা কিছু, ভুলতে চাই নিজের সম্ভবনা গুলির কিছু। ভোলার জন্য ভুলতে চাই কিছু, ভোলার না ভোলাটাও ভুলতে চাই কিছু ভোলার উচিত অনুচিত  ভোলা কিছু ভোলার রকম ফেরের ভোলা কিছু। আমার ইচ্ছা সকল ভুলে থাকা কিছু, ভুলে থাকতে পারাটাই আসল কথা কিছু, ভোলার জন্য রং-বেরংএর সং কিছু, ভোলার ভোল বদলই যেন সং কিছু। ভুলতে চাওয়া যেন ভুলের বোঝা কিছু ভুলের মাশুল গোনাও ভুলের বোঝা কিছু, ভুল ভুলের ঘানিতে ভুলের বোঝা কিছু, ভুলের ভুল-ভুলাইয়া সহজ নয় বোঝা কিছু।    ভুলের এমনি প্যাচে জড়িয়ে কিছু, ভুলগুলি কিছুতেই ছাড়ছেনা পিছু, ভুলে...

1054>|| নীলকন্ঠ ||

     1054>|| নীলকন্ঠ ||            <----আদ্যনাথ----> কিছু শুনেও না-শুনে, কিছু বলেও না বলে, কিছু কথা না বলে, কিছু সুখ হয় কি তাহলে। তাই বুঝি শিব বোম ভোলে, লোকে তারে নীল কন্ঠ বলে। মানুষ হয়েও বিশাল মস্তক, শুঁড়, বুদ্ধির সাগর শান্ত অতি বীর ধীর। আর তেজে দীপ্তি শ্রেষ্ঠ শক্তি বলে, দেব সেনাপতি বীর যোদ্ধা বলে। এইতো সৃষ্টি স্থিতি লয়ের অধিকর্তা, আছেন মা অসুরে বোধিতে সর্বদা। তুমি নিজে অসুর হইলে নিজেই নিজেরে বোধিবে। জীবন নিজেই এক মহাকাল, যার নাই আদি অন্ত,আছেন সর্বকাল, মানুষ লোভে ও অহঙ্কারেই মত্ত তাই বোধহয় জীবন ব্যতিব্যস্ত। লোভে পাপ পাপে মৃত্যু তথাপি লোভই যেন আনন্দ সত্য। লোভের আনন্দ ক্ষনিকের তরে লোভাতুর তথাপি তারে আঁকড়ে ধরে। কিছু শুনে বলে লাভ কি হবে, কেউ কিতার স্বভাব পাল্টাবে? যেমন চলছে তেমনি চলবে, জীবনে জীবন যোগ গভীর অন্ধকারে। শিব পূজা আরাধনা অভিষেকেই ক্ষান্ত, শিবমর্ম বুঝতেই জীবন ক্লান্ত। তথাপি কতনা প্ৰচেস্টার বাহার, শিব লিঙ্গে জলাভিষেক বারংবার। শিব তো জল ও একটি বেলপাতাতেই তুষ্ট সদানন্দ যেন, তথাপি এতো দুধ,ঘী,মধু দ্বারা অভিষেক কেন। শিবতো সদা তুষ্ট ...

1053>|| জীবন বড়ই অদ্ভুত বিস্ময়কর ||

 1053>|| জীবন বড়ই অদ্ভুত বিস্ময়কর ||                 <----আদ্যনাথ-----> এই জগতে, নিজের জন্য জায়গা  প্রয়োজন তিনগজ মাত্র, আমাদের হিন্দুদের জন্য তাও চাই শূন্য। শুধু উড়ে যাবে ছাই। শেষ টুকু ভেসে যাবে গঙ্গায়। যে গঙ্গা সব আবর্জনা বয়।  অতএব কিসের চিন্তা  কিসের এতো ভয়!!!!! এসেছি হাত মুঠো করে সংসারের সব ভার বইবার তরে, সেই হাত খুলে দিয়ে যেতে হবে সকলের তরে। রইবেনা কিছুই হয়তো কারো মনে, আজ যা আছে তাও রইবেনা কালে। আমার আমার করে কাটে দিন, সব পড়ে রবে শেষের দিন। রবে শুধু কর্মে ফলের কীর্তি, হয়তো  রবে ছবি আর মূর্তি। জীবন সুন্দর কিন্তু বড়ই অদ্ভুত  বিস্ময়কর, কিছুই সঙ্গে নিয়ে আসা নয়, সবকিছুই লড়াই করে  নিজের করে পেতে হয়, সবশেষে একদিন সবকিছুর মায়া ত্যাগ করে  চলে যেতে হয়। এভাবেই চলে জীবনের ট্রেডিশন, জন্ম মৃত্যুর চক্রের আবর্তন।  তবুও মানুষে মানুষে হানাহানি, অহঙ্কারের কতনা প্রদর্শনী। দিকে দিকে অধিকারের তান্ডবানি, প্রতিক্ষণ অধিকারের হাতছানি। তবুও মানুষ শ্রেষ্ঠ তাঁর কর্ম ক্ষমতার বলে, দুর্বলের ছিনিয়ে নিতে চায় ছলে বলে। অ...