1062>|| নীলকন্ঠ ||
1062>|| নীলকন্ঠ ||
<----আদ্যনাথ---->
নবমিররাত্রি অতিক্রান্ত প্রায়,
ওরে নীলকন্ঠ কোথা গেলি আয়,
আয় তরাকরে আয়, বেলাযে যায়,
যেতে হবে রাত্রি শেষ হলো যে প্রায়।
নীলকন্ঠ দেখাদেয় নবমীর দুই দন্ড প্রায়,
বৎসর অন্তে একবার নীলকন্ঠ সারা দেয়,
সে জানে তাকে যেতে হবে শিবালয়,
তাইতো নবমীর শেষ লগ্নে তার খোঁজ হয়।
ওরে নীলকণ্ঠ যাও তরা করে
শিবানী পৌঁছবেন কৈলাশে শিবের ঘরে।
সেদিন মা এসেছিলেন হিমালয়ের ঘরে
মা ছিলেন চারদিন মর্তে মেনকার ঘরে।
আজ মা আছেন আমাদের ক্লাবঘরে,
বিশাল বিশাল প্যান্ডেলে সুসজ্জিত ঘরে।
মায়ের পূজা হোল মহা ধুম ধাম করে,
বাচ্চা বুড়ো সকলের আনন্দ কি আর মনে ধরে।
কতো প্রসাদ সুসজ্জিত খিচুড়ি ভোগ,
সাথে নানা ব্যঞ্জন বহু তরকারি।
মা ছিলেন সুখে মা মেনকার আদরে,
আজ শিবানী ফিরে যাবেন নিজের ঘরে,
পারলামনা আর তারে ধরে রেখতে আদর করে।
চারদিন আমাদের আনন্দ ছিল মাকে ঘিরে,
নানারূপে সাজিয়ে মাকে মহা উল্লাসে,
করেছি মায়ের আদর যত্ন সকলে মিলে।
আমারদের আনন্দ চলেছে চারদিন ধরে।
আবার মা আসবেন সেই এক বৎসর পরে,
আমাদের অপেক্ষা চলতে থাকবে বৎসর ধরে,
এতো আনন্দ এতো উল্লাস সকলি মা কে ঘিরে।
কিন্তু রোজই দেখি ওই পথের ধারে,
ওরা বসে থাকে উদাস মনে চেয়ে,
বোধহয় খিদের তাড়নায় ওদের চোখে জল ঝরে,
কেউ হয়তো কিছু দিয়েজায় অবহেলা বা হয়তো আদর করে।
মা আজ ফিরেজাবেন কৈলাশে নিজের ঘরে।
আমাদের সুখ সাচ্ছন্দ হয়তো ঠিক রবে,
কতো অসহায় ওরা আমাদের পাশের ঘরে,
আমরা দেখেও দেখিনা,
সব কিছু বুঝতে চাই নিজের মতন করে,
কখনো বুঝতে চাইনা ওদের মতন করে।
যে দিন বুঝবো আমরা ওদের,
ওদের মতন করে,
ডেকেনেবো ওদের আমাদের ঘরে,
ওদের সাজাবো নিজের মতন করে,
খোয়াবো সকলে মিলে আনন্দকরে,
সেইদিন মায়ের পূজা সর্ব-সার্থক হবে।
<----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->
31/08/2024;; 3:50 pm
=========================
Comments
Post a Comment