1018>|| শীত এলো ||
1018>|| শীত এলো ||
<----আদ্যনাথ--->
হঠাৎ শীত এলো তাই আনন্দ মনে,
এবার সোয়েটার কম্বল বার হবে।
এতদিন ওরা বাক্স বন্ধি হয়ে ছিল,
শীতের শুরুতেই ওগুলো রোদে দেওয়া হল।
শীত মানেই নুতন খাবারের লোভ,
পিঠেপুলি,মোয়া খাবারের লোভ।
শীতের সকালে খেজুর রসের লোভ,
নলেন গুড়ে আর জয়নগরের মোয়া।
শীতে নিত্য নুতন ব্যঞ্জনের খোঁজ,
শীতে মনের আনন্দে ভুঁড়ি ভোজ।
শীতের রকমারি সবজি ও মিষ্টান্ন
শীত মানেই ভুঁড়ি ভোজ ও দিবানিদ্রা
এতো আনন্দেও ভীষণকিছু কষ্টের অনুভব,
কতো দুঃখী জন পথে-ঘটে,ওদের রাত কাটানোই অসম্ভব।
ভোর বেলা স্টেশনে দেখেছি ওদের দুটিকে
উদোম গায়ে চটের বস্থা জড়িয়ে ভাই বোনক দুটিকে।
দুটি কুকুরের বাচ্চাও ছিল ওর সাথে,
রাত ভর ওরা ঘুমিয়ে ছিল এক সাথে।
বোধহয় ছেলেটি কত স্বপ্ন দেখেছে হয়তো,
নিশ্চই ওদের বাবা মা ভুলে গেছে হয়তো।
কাঠ পাতায় আগুন জ্বালিয়ে রাত কাটে,
শীতের রাতে এমনি করেই কুঁকড়ে থাকে।
শীত ও বর্ষার প্রচন্ড দাপটে ওরা অসহায়,
কুকুরের বাচ্চাগুলি ও ওরা একে অপরের সহায়।
প্রচন্ড বর্ষার পরেই শীত জাঁকিয়ে বসে,
বারমাস ওদের এমনি করেই দুঃখে কাটে।
তবু ওরা হাসে প্রাণ খুলে,বেঁচে থাকে,
প্রকৃতি বোধহয় ওদের বাঁচিয়ে রাখে।
শীত গ্রীষ্ম বারমাস ওদের সমান কাটে,
ওরা প্রকৃতির সাথে মিলে মিশে থাকে।
আমরা দেখেও দেখিনা,তেমন করে ভাবিনা,
ওরাও বেরেচলে পথের ধরে, আমরা ভাবিনা।
আমরা কোট প্যান্ট সোয়েটার চাপিয়ে
বাবু সেজেও শীতে ঠান্ডার ভয় লাগে।
সকাল হলেই ওরা রোদপোহায় সকলে,
সূর্যের তাপেই মন আনন্দে ভরে।
<----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
===========================
Comments
Post a Comment