1092>|| তিন ধাপের জীবন ||
1092>|| তিন ধাপের জীবন ||
<----আদ্যনাথ--->
প্রবীণ-যৌবন-নবীণ সংসার চক্রকাল,
সচল সংসারের তিনটি বজবুত হাল।
কাউকে বাদ দিয়ে চলেনা সংসার কাল,
সমগ্র সৃষ্টি এভাবেই চলছে চিরকাল।
আজ যে নবীণ কাল সে প্রবীণ যৌবন তেজ উভয়কে জুড়ে রাখে,
সৃষ্টির অদ্ভুত জীববৈচিত্রের ক্রমবিকাশ চলতেই থাকে।
জীবন-সৃষ্টি-লয়,সময়ের শৃঙ্খলে জড়িয়ে থাকে,
জাগতিক মহা শক্তিরবলে সকলে শক্তিমান থাকে।
এই সৃষ্টি-শক্তি, রহস্যের অমোঘ খেলা,
মহাজাগতিক শক্তির শৃঙ্খলার মেলা।
সেই মহাশক্তি বলে সকল সৃষ্টি এগিয়ে চলে,
সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ মানুষ শ্রেষ্ঠ হয় তার নিজের
মেধা বুদ্ধির বলে।
প্রবীণ-নবীণ-যৌবন এক শৃঙ্খল সমাজ সংসারে,
একে অপরকে করা উচিত মান্যতা ও
শ্রদ্ধা আদরে।
আজ যে নবীণ কাল সে প্রবীণ নিশ্চিত হবে,
যৌবন কালেই জীবনের প্রসার বলিষ্ঠ হবে।
প্রবীণ, নবীকে হাত ধরে চলতে শেখায়,
নবীণ, প্রবীণের সঙ্গে থেকে সাহস যোগায়,
প্রবীণ নবিণকে জ্ঞান অভিজ্ঞতা বিলায়,
এভাবেই নবীণ ভবিষ্যতের সুগম পথ খুঁজে পায়।
প্রবীণ-নবীণ, কালচক্রের সময়ের খেলা,
উভয়ের প্রেম-প্রীতিও শ্রদ্ধারই নিরালা।
নবীণ সময়ের কাল চক্রে প্রবীণ হবে,
প্রবীণ সময় চক্রে জীবনের অবসান হবে।
প্রবীণ-নবীণ উভয়ই সংসারে অমূল্য রতন,
একে অপরের সহায় এগিয়ে চলে সর্বক্ষণ।
যৌবনের কর্ম-শক্তি জীবনকে শ্রেষ্ঠ করে,
চলার পথে জ্ঞান,অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা শেয়ার করে।
জীবন এক শ্রেষ্ঠ ও সুন্দর ক্রিয়া কাল,
যা তরুণ-যৌবন-প্রবীণ সকলের কর্ম ফল।
এভাবেই মানুষ মানুষকে শ্রদ্ধা করে,
সমাজ-সংসারের কল্যাণের তরে।
এ-হেন প্রক্রিয়ায় প্রবীণের অভিজ্ঞতা
যদি মান বাড়ায়,
সমাজ-সংসারে সকলেই উপকৃত হয়।
নবীণ সেই অভিজ্ঞতায় শিক্ষা লাভ করে,
পরবর্তীতে নিজের ভাবনা জুড়ে সমাজকে দৃঢ় করে।
প্রবীণ তো এক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার ভান্ডার,
যেমন কুবেরের অর্থ সম্পদের ভান্ডার।
প্রবীণরা তাদের জীবনের অভিজ্ঞতা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান সঞ্চয় করে।
পরবর্তী সময়ে তারা এই জ্ঞান তরুণ প্রজন্মের সাথে শেয়ার করে ,
আর এই জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা তরুণদের জন্য একটি মূল্যবান সম্পদ।
প্রবীণের সাথে তরুণের মিত্রতা,
হয় যেন সামাজিক সম্পর্কের সখ্যতা।
নবীণ ও যৌবনের সাহচর্যে প্রবীণ জীবনের ভরসাপায়, বেঁচে থাকার উৎসাহ খুঁজে পায়।
আর এভাবেই সমাজ এগিয়ে যায়।
এই সমাজ সংসারে কেউ কারুর নয়,
আবার কাউকে ছেড়েও সংসার নয়।
এইতো রহস্য ময় প্রকৃতির সৃষ্টি রহস্য,
প্রকৃতির কর্মকান্ড যেন অবিশ্বাস্য।
প্রকৃতিকে সম্পুর্ন জানা মানুষের জ্ঞান-কর্ম নয়।
তাইতো প্রবীণ-নবীণ-প্রকৃতি তিনে
একসাথে রয়।
কাউকে ছেড়ে কেউ একা নয়,
এটাই আমার নিজের ধারণা হয়।
প্রবীণ-যৌবন-নবীণ তিনের শুভ কর্মেই জীবন সুন্দর সচল হয়।
<-----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
10/06/2925:: রাত্রি 8:40 মিনিট
==========================
Comments
Post a Comment