1090>|| ভূতের চরিত্র ||+(1)+(527)

    

 1090/1>|| ভূতের চরিত্র ||

1090/2>|| ভূতে ধরার গল্প কথা ||

======================

 1090/1>|| ভূতের চরিত্র ||

        <----আদ্যনাথ---->

     "ভূত"

আজ "ভূত" নিয়ে কিছু বলবো,

  যেটুকু বলবো একান্ত নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই  বলবো।

কোন  অবান্তর বা বাড়ন্ত  কথাও নয়, কারুর শোনা কথাও নয়,

নিজে যা দেখেছি বুঝেছি সেই টুকুই লিখলাম।

আশা করি পড়বেন একটু সময় থাকলে।

ভূতের কথা ভেবে আনদেখা করবেন না অবহেলা ছলে।

  || ভূতের চরিত্র ||

     <----আদ্যনাথ---->

ভূতের চরিত্র বোঝ দায়,

মানুষ ভূতকে ভয়পায়,

আবার ভূত মানুষকে ভয় পায়,

ভূত মানুষের পাশেই থাকতে চায়।


ভূত আছে সত্যই বোঝা যায়,

একটু সচেতন হলেই ভূতকে দেখা যায়।

ভূতে-মানুষে সম্পর্ক চিরকাল,

সব জেনেও কিছু নাজানার আকাল।


আমার হয়েছিল ভূতের সাক্ষাৎকার, 

সেই দিনগুলির অভিজ্ঞতাও চমৎকার।

সেই সখ্যতা জীবনের এক অভিজ্ঞতা,

তবুও অতি জটিল ভূতের চরিত্র ব্যাখ্যা।


মানুষের অনেক আশা আকাঙ্খা নিয়ে চলা,

ভূতদের অতৃপ্ত বাসনার বোঝা বয়ে চলা।

মানুষ এগিয়ে চলে ভবিষ্যতের আশায়,

ভূতের ভবিষ্যৎ সর্বদা অন্ধকারের দিশায়।


মানুষ যেখানে, ভূতও সেখানে,

ভূত চায় মানুষের সাহায্য পেতে,

তাইতো ভূত থাকে মানুষের পাশে,

ভূতের ভবিষ্যৎ যেন গভীর অন্ধকারে। 


কখনো, কোনটা মানুষ, কোনটা ভূত, বোঝাই মুস্কিল,

দুঃসময়ে মানুষ,মানুষকে দেখেই ভয় পায়।

মানুষ নিজেই যে ভূত,মানুষ সেটাই ভুলে যায়।

বুঝিনা মানুষে ও ভূতে ফারাক কোথায়।


একজনকে স্ব-শরীরে দেখাযায়,

একজন হওয়ায় ঘুরে বেড়ায়।

মানুষ যখন তখন নিজেকে পাল্টাতে পারে,

তাই বুঝি মানুষ চেনা দায় হয়ে পরে।


ভূতও যখণ ইচ্ছা নিজের রূপের পরিবর্তন করে,

এভাবেই ভূতে -মানুষে ফারাক বোঝাই

মুস্কিল হয়ে পরে।

ভূত কখনো মিথ্যা বলেনা,কোন অন্যায় করেনা,

মানুষ ভূতের অনেক গল্প বলে, বেশ কিছু মিথ্যাও বলে।


মানুষ নিজের কল্পনা গুলি ভূতের ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়,

ভূতকে ভয়ঙ্কর বলে মানুষ মানুষকে ভয় দেখায়।

সত্য বলছি, ভূত কখনোই তেমনটা নয়, 

যেমনটা তার নামে মিথ্যা রটানো হয়।


মানুষ ভূতের ওপরে অবাস্তব বুদ্ধি খাটায়,

ভূত কিন্তু চুপ করে সব সহ্য করে যায়।

মানুষ মাত্রেই ভূতের নামে মিথ্যা রটায়,

মানুষ ভুলেজায়, মানুষের অতৃপ্ত আত্মাই 

ভূত হয়ে ঘুরে বেড়ায়।


মানুষ বিচিত্র, চরিত্র হীনও হয়,

মানুষ মিথ্যা বলে ভূতকে জড়ায়।

ভূত সর্বদা বিদ্যান নাও হতে পারে, 

কিন্তু ভূত কখনই চরিত্র হীন নয়।


ভূত নিয়ে অনেক গবেষণাই হয়েছে,

চরিত্র হীন ভূত কোথাও কেউ কি পেয়েছে?

তাইতো ভূতনিয়ে অনেক কিছুই বলা চলে,

তবে অযৌক্তিক মিথ্যাই বেশি বলা হবে।


আসলে ভূতে-মানুষে সম্পর্কটাই বড় জটিল,

কে সত্যি, কে মিথ্যা বোঝাই মুশকিল।

তাইতো মানুষের ভাগ্য আর ভূতের কপাল,

এভাবেই ভূতে-মানুষে লড়াই চলছে 

চিরকাল।


ভূত যখন সামনে আসে ভবিষ্যৎ হয়ে,

পথ চলা অনেকটাই সহজ হয়ে পরে।

অনেক অজানা বুঝি হয় চেনা জানা

অনেক কিছু  ভাবা যায় নুতন ভাবনা।

   <------আদ্যনাথ রায় চৌধুরী----->

       13/04/2025 ::04:05 pm

============================

     1090/2>|| ভূতে ধরার গল্প কথা ||

          <-----আদ্যনাথ----->

পথের ধারে ছিল শেওড়া গাছের ঝোপ,

বড় গাছটার চেহারাটা যেন ভূতের গোপ।

আন্ধকারেই খুঁজতে হবে,

নিশ্চই গোটাদুই পাওয়া যাবে।

মুস্কিল হলো ওরা দল বেঁধে থাকে,

একটাকে ডাকলেই সবকটা আসে।

এমনিতে ওরা সরল সোজা,

ওদের আসল চরিত্রটাই যায়না বোঝা।

খায় দায় আর মগডালে দোল খায়।

কথায় আছে না--

খাই দায়ী আর হাঁটু মুড়ে ঘুমাই,

ওদের অবস্থায় ও ঠিক তাই।

তবে বশ করতে পারলে কাজের হয়,

যত ইচ্ছা খাটিয়ে নেওয়া যায়।

একবার কাজে লেগে গেলে 

থামেনা কাজ শেষ না করে।

তবে সবাই যে বলে---

ভূতেরা নাকি মানুষকে ধরে,

আসলে ওটা উল্টো কথা বলে।

ভূতেরা নিজেদের উদ্ধার করতে,

মানুষের কাছে আসে সাহায্য চাইতে।

মানুষরা ভূত দেখেই ভয়ে অস্থির,

আর ভূতেরা থাকতে না-পেরে স্থির,

চেপে বসে এক লাফে মানুষের ঘারে,

এভাবে ভূতেরা মানুষের উপর ভর করে।

আর মানুষরা ভিমরী খায়,

এভাবেই  মানুষ কে ভূতে পায়।

ভূত ভয় পেয়ে উল্টা পাল্টা বলে,

আমরা ভাবি মানুষটি ভুল বকছে।

আসলে ভূতই ভয়ে ভুল বকতে থাকে,

আর মানুষ উল্টো পাল্টা ভাবতে থাকে।

এই ভয় পাবার ব্যাপারটাই আসল খটকা,

এভাবেই চলে ভূতে-মানুষে ঝটকা-ফটকা।

ভূতে ধরার গল্প এভাবেই প্রচার পায়,

উল্টো পূরণে মানুষকে ভূতে পায়।

এবার শুরু ওঝা বদ্দি ফুঁক ঝাড়,

সকলি কেরামতির মিথ্যা কারবার।

আসলে ভূতের ভয়ে হয় মাথার ব্যামো,

দরকার সঠিক থেরাপি ও শক-কেমো।

এভাবেই প্রচার হয় ভূতের আজব গল্প,

ভূত যেন নিজেই রাজা, অলীক কল্প।

ভূতের রাজার বড় সকলে পেতে চায়,

ভূতের ভয়ে সকলে দেখি ভিমরী খায়।

ভূতে-মানুষে সম্পর্ক চিরস্থায়ী অবিচল,

ভূতে-মানুষে সম্পর্ক চিরস্থায়ী গেরাকল।

মানুষ অন্নময় কোষে পূর্ন সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ,

ভূত অশরীরি এক ক্ষণিক কল্পনায় সৃষ্ট।

মানুষনিজ খেয়ালে ভূতের কল্পনা করে,

মানুষনিজ সৃষ্ট সেই কল্পনাকেই ভয় করে।

জীবের ছায়া রূপই ভূতের ভ্রমওঅস্তিত্ব,

জীবের মৃত্যুই ভূত কল্পনার সৃষ্টি ত্বত্ত।

মৃত্যুর পরেই ভূতের সৃষ্টি এমনই কল্পনা,

অশরীরি ছায়াকে নিয়েই জল্পনা কল্পনা।

    <-------আদ্যনাথ রায় চৌধুরী------>

             13/04/2025:::10:48 pm

============================



Comments

Popular posts from this blog

1087> || আজ হোলি ||-2025

1093>|| মৃত্যু::---||

1088>|| হার--জিত ||