1079>|| বৃদ্ধ বয়স-সত্য ঘটনা অবলম্বনে ||(1+2) ||(1+2)

   

1079>||  বৃদ্ধ বয়স-সত্য ঘটনা অবলম্বনে ||(1+2) 


1079/1>||  অবাঞ্চিত বৃদ্ধ বয়স  ||

    1079/2> || বার্ধক্য কর্মপঙ্গু ||



বিশেষ কারনেই লিখলাম দুই কলম::---

একটু সময় থাকলে দেখে নিন খবরটা --

তার পরে না হয় পড়বেন আমার লেখাটা।


 ||  অবাঞ্চিত বৃদ্ধ বয়স  ||

     <------আদ্যনাথ----->

 বৃদ্ধ হওয়াকে অবাঞ্ছিত মনে হয়,

মাঝে মাঝে ভীতিকর  মনে হয়।

বার্ধক্যের উদ্বেগ আসলে অজানা,

আপন জনরাও যেন চেনেন না।

অচেনার ভান করাটাই ভয়ঙ্কর,

আজ যে বয়ঃ বৃদ্ধ, একদিন ছিল যৌবন।

আজ ভাবনা কিভাবে কাটবে জীবন,

পরজীবী হয়ে থাকা কঠিন ভীষণ।


অজানা অচেনা অস্থির এক ভাবনা,

দিবারাত্র কেবল মৃত্যুই বুঝি কামনা।

মৃত্যু, সুন্দর, শান্ত কিনা তাও অজানা,

বোধহয় মৃত্যুতে আছে নানান যাতনা।

তবুও তারে চায় ক্ষণিক ভুলতে বেদনা,

কতকবি করেছেন মৃত্যর সুন্দর বন্দনা।

কে বলবে, মৃত্যুতেই কি চীর শান্তি,

কিন্তু শরীর ও মনে অফুরন্ত ক্লান্তি।

    <-------আদ্যনাথ রায় চৌধুরী----->

            19/02/2025::13:30:10 hr

==========================

        || বার্ধক্য কর্মপঙ্গু ||

        <------আদ্যনাথ----->


বয়সে বৃদ্ধ প্রকৃত সাভাবিক কারণে

মনের বৃদ্ধতা মনের দুর্বলতার কারণে।

বার্ধক্য শারীরিক দুর্বলতা হতে পারে,

মানসিক দুর্বলতা বৃদ্ধ বয়সের কারণে।

বৃদ্ধ বয়সটা আজ এক প্রধান সমস্যা,

ব্যস্ত সমাজে বৃদ্ধরাই বোঝা ও সমস্যা।

সময় কোথায় বৃদ্ধের অজুহাত শুনতে,

সকলেই ব্যস্ত নিজ নিজ হাল বাইতে।


বৃদ্ধ যে সেই তো ছিল সংসারের মাথা,

আজ নত হয়েআছে সেই বৃদ্ধের মাথা।

কে, কেন খুঁজবে বৃদ্ধের মনের ব্যথা,

সময় কোথায় অহেতুক মাথা ব্যথা।

যাহা শীর্ণহয়, তাহাকেই শরীর বলা হয়,

শরীর তো মহাশয় যাহা সহাবে তাহাই সয়।

মানুষ নিশ্চই বাঁচে তার কর্মে বয়সে নয়,

তবুও বৃদ্ধ বয়সে শরীর আশায় মনেহয়।


জগৎ কর্মময়,কর্মহীন জীবন বৃথা,

অসমর্থ বৃদ্ধপঙ্গুর ত্রুটি কর্মহীনতা।

ডিজিটাল যুগে সকলেই কর্ম ব্যস্ত,

গৃহ বাসী সকলে সদা ত্রস্ত শশব্যস্ত।

কর্মে ব্যস্ত থাকাই সাভাবিক জীবন,

অর্থ,সম্মান সকলের অতি প্রয়োজন।

অবাঞ্ছিত কর্মহিন বৃদ্ধ তর্কবাগীশ হয়,

বৃদ্ধাশ্রম অথবা মৃত্যুই উপযুক্ত আশ্রয়।

<-------আদ্যনাথ রায় চৌধুরী----->

         20/02/2025::11:30:15 hr

==========================


আমার খুব পরিচিত একজন অতি স্বজন 

থাকতেন বারাণসীতে নাম শ্রীনাথ খন্ডেলওয়াল।পদ্মশ্রী প্রাপ্ত  বিখ্যাত লেখক । পরিচয় ছিল, বেনারস গেলেই দেখা করতাম।

শুনলাম  বৃদ্ধাশ্রমে মৃত্যু হয়েছে তাঁর।

কি বিশাল বাড়ি ঘর বহু সম্পত্তির মালিক

তথাপি বৃদ্ধাশ্রমে মৃত্যু ।

খবরটা শুনলে সকলেই চমকে উঠলাম।

 দুই কলম লিখলাম।

খবরটা এইরকম::---


খবর::--

A famous writer who owns 80 crore rupees and received Padma Shri dies in old age home, son businessman, daughter lawyer, last rites done with donation :-



"৮০ কোটি টাকার মালিক এবং পদ্মশ্রী প্রাপ্ত এক বিখ্যাত লেখক বৃদ্ধাশ্রমে মৃত্যু, ছেলে ব্যবসায়ী, মেয়ে আইনজীবী, চাঁদা দিয়ে শেষকৃত্য সম্পন্ন :-"

"""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""

"একটি পুরনো প্রবাদ আছে, 'পুত কপূত তো কি ধন সঞ্চয়, পুত সপূত তো কি ধন সঞ্চয়', এই প্রবাদটি এখন বাস্তবতার রূপ নিচ্ছে। কারণ, এই আধুনিক যুগে কেউই পরিবার নিয়ে থাকতে চায় না, এমনকি মা-বাবার সঙ্গেও। সন্তানরা তাদের স্বার্থের কারণে মা-বাবার ভালোবাসাকেও উপেক্ষা করতে একটুও পিছপা হয় না।


এর এক জীবন্ত উদাহরণ দেখা যায় বৃদ্ধাশ্রমে বাস করা মানুষের মধ্যে।


এমনই এক হৃদয়বিদারক ঘটনা সম্প্রতি বারাণসীতে ঘটেছে। যেখানে পদ্মশ্রী সম্মানিত আধ্যাত্মিক সাহিত্যিক শ্রীনাথ খন্ডেলওয়াল, যিনি ৮০ কোটি টাকার মালিক ছিলেন, তার পরেও তার সন্তানরা তাকে বৃদ্ধাশ্রমে থাকতে বাধ্য করেছে। ৮০ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয় বৃদ্ধাশ্রমে। আরও অবাক করার বিষয় হলো, তার মৃত্যুর পরে শেষবারের জন্য তাকে দেখতে এবং কাঁধ দিতে তার কোনও পরিবার সদস্য সেখানে আসেননি। কি মর্মান্তিক ও বেদনাদায়ক ঘটনা, তাই না??


২০২৩ সালে পদ্মশ্রী সম্মানিত


কাশীর বাসিন্দা শ্রীনাথ খন্ডেলওয়াল ১০০টিরও বেশি বই লিখেছেন, যার জন্য তাকে ২০২৩ সালে পদ্মশ্রী সম্মান দেওয়া হয়েছিল। তার পরিবারের দুই ছেলে এবং এক মেয়ে রয়েছে। ছেলে ব্যবসায়ী এবং মেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবী। তিনি সাহিত্যিক এবং আধ্যাত্মিক ব্যক্তি ছিলেন।


ছেলে-মেয়েরা সমস্ত সম্পত্তি হস্তগত করেই তাকে ত্যাগ করেছে।


শ্রীনাথ খন্ডেলওয়ালের ছিল কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি। তিনি দিন-রাত সাহিত্য এবং আধ্যাত্মিকতায় ডুবে থাকতেন। তার ছেলে-মেয়েরা এই সুযোগ নিয়ে তার সমস্ত সম্পত্তি হস্তগত করে, তাকে অসুস্থ অবস্থায় একা রাস্তায় ফেলে দেয়। এরপর সমাজসেবীরা তাকে কাশী কুষ্ঠ বৃদ্ধাশ্রমে নিয়ে আসেন। সেখানে তার বিনামূল্যে সেবা চলছিল এবং তিনি বেশ খুশি ছিলেন, কিন্তু তার পরিবারের কেউই সেখানে একবারও তার খবর নিতে আসেনি।


চাঁদা নিয়ে সম্পন্ন হয় শেষকৃত্য


বৃদ্ধাশ্রমে তার স্বাস্থ্য খারাপ হলে তাকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয় এবং শেষে তিনি পৃথিবীকে বিদায় জানিয়ে চলে যান। সবচেয়ে বড় দুঃখজনক বিষয় ছিল যে, শ্রীনাথ খন্ডেলওয়ালের মৃত্যুর খবর তার সন্তানদের জানানো হলে তারা ব্যস্ততার অজুহাত দেখিয়ে শেষকৃত্যে অংশ নেয়নি, এবং মেয়েও মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল। শেষে সমাজসেবী অমন চাঁদা সংগ্রহ করে শ্রীনাথ খন্ডেলওয়ালের সমস্ত বিধি-বিধান মেনে শেষকৃত্য সম্পন্ন করেন।


এমন সন্তান থাকার থেকে নিঃসন্তান থাকা অনেক শ্রেয়, তাই না???


খবর টি কতটা সত্য সেটা জানানাই।

তথাপি খবরটি গুগুল যখন দিয়েছে তখন কিছু তো আছে।

এমন খবর পড়ে ভীষণ দুঃখ পেলাম।

এমন খবর ভাবনার অতীত।

============================


Comments

Popular posts from this blog

1087> || আজ হোলি ||-2025

1093>|| মৃত্যু::---||

1088>|| হার--জিত ||