1077/1>|| পুরুলিয়ার পলাশ ||( ++1)
1077/1>|| পুরুলিয়ার পলাশ ||( ++1)
1077/2> || পুরুলিয়ার মুরগুমা ড্যাম ||==( কবিতা )
=============================
1077/1>|| পুরুলিয়ার পলাশ ||
<------আদ্যনাথ----->
আজ স্মৃতির দুয়ার খুলে মনে পড়ে,
মন ছুটেযায় পুরুলিয়ার পলাশের বনে।
বার্ধক্যে কত স্মৃতিই গেছে মুছে,
কিন্তু পুরুলিয়ার পলাশকে ঠিক মনে আছে।
ভ্রমরের গুন গুন ও মৌমাছর গুঞ্জন
দিনভর মেতে ওঠে পলাশের বন।
আজ স্মৃতির দুয়ার খুলে মনে পড়ে,
পুরুলিয়ার সেই পলাশের গভীর বন।
বনের পশুরাও পলাশমধুর গন্ধে ছুটে আসে,পলাশের কাছে।
পুরুলিয়া মানেই পলাশের দুনিয়া,
পুরুলিয়া দেখা মানে পলাশের আগুণের শোভা দেখা।
যে দিকে মন চায় দুচোখ ভরে পলাশের রঙ দেখা।
পলাশে লাগে আগুন মাঝ ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত ফাগের ফাল্গুন।
পলাশের শোভা, তার আগুন ঝরানো রূপে,
নানান রঙের পলাশ ফোটে পুরুলিয়ার জঙ্গলে জঙ্গলে।
পলাশের সুমিষ্টমধু চিরদিন থাকে মনে,
পলাশ ফুলের রঙিন আবির যাকে ফাগ বলা হয়,
কারন ফাল্গুন মাসেই রঙিন দোল উৎসব হয়।
পলাশ ফুলের রঙে রাঙিয়ে মন ভরে যায়,
ফাল্গুনের দোল বা হোলির রঙ বা ফাগ
পলাশের রঙে রঙিন হয়।
পলাশ লতা ও বৃক্ষ দুই ভাবেই হয়।
নানান রঙের পলাশে কীবাহার কীবাহার,
লাল,কমলা,হলুদ,স্বর্ণ রঙিন,
আর দেখেছি নীল ও সাদার বাহার।
তাইতো ফাল্গুনের পলাশের রূপে
বার বার পুরুলিয়ায় মন টানে।
<----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->
==========================
বিঃদ্রঃ::--(পলাশের রঙ নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন ও সংশয় থাকতে পারে,
কিন্তু আমি যেটুকু দেখেছি নিজে,
পুরুলিয়ার গভীর জঙ্গলে,
সেই টুকুই বলছি নিজের কলমে। )
=========================
1077/2> || পুরুলিয়ার মুরগুমা ড্যাম ||
<----আদ্যনাথ-->
এখনও রাত্রির একটু বাকি,
চলেছি পাহাড়ের ঢালে ধীরে সন্তর্পনে,
ঝরাপাতার খস খস শব্দপায়ের নিচে,
সকলেই ভীত অচেনা ডাক শুনে কাছে।
লাঠি দিয়ে সামনের পাতা সরিয়ে,
চলেছি সকলে অজানা পথে।
তবুও যেতে হবে ওই ড্যামের ওপরে
টর্চের আলো তে ছোট কিছু পালায় ছুটে,
পাখিদের কলতান শুরু হল সেই ক্ষণে,
চারিদিকে ছড়িয়ে রঙিন আবির গগনে।
মুরগুমা ড্যামের ওপারে পাহাড়ের চূড়ায়,
হঠাৎ যেন হল নুতন সূর্য্য উদয়,
আগুন যেন লাগলো পাহাড়ের মাথায়,
সবুজ পাহাড় গুলিও লালে রাঙিয়ে দিল,
ড্যামের জলে কে যেন রং ঢেলে দিল।
এইনির্জনে শেয়ালের ডাকও ভয়ঙ্করলাগে
তবুও মনে শান্তনা ওই পাখিদের দেখে,
পাখিরা কত সুন্দর সাবলীল ড্যামের জলে
ঝাঁকে ঝাঁকে পাখিরা খাবারের খোঁজে,
ভোরের ঠান্ডা হাওয়ায় মুরগুমার শোভা খোলে।
অযোধ্যা পাহাড়ের মুরগুমা ড্যাম
প্রকৃতির সকল সৌন্দর্য আছে লুকিয়ে।
প্রকৃতি যেন দিয়েছে উজাড় করে,
আমরাও ক্লান্ত এতটা চড়াই চড়ে।
তবুও মনের আনন্দ মুরগুমাকে দেখে,
চেয়েছিলাম যেটুকু মনে
মুরগুমা দিয়েছে তার থেকে বহু গুনে।
আজথেকে সেই 36 বৎসর আগে,
পাহাড় জঙ্গল আর আদিবাসীদের ঘরে,
আদর দিয়ে ছিল ওরা হৃদয় উজাড় করে।
==<--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->======
===========================
Comments
Post a Comment