1075>|| 2025 আমাদের পিকনিক || (প্রথম ও দ্বিতীয় পর্ব)
1075>|| 2025 আমাদের পিকনিক ||
(প্রথম ও দ্বিতীয় পর্ব)
|| 2025 আমাদের পিকনিক ||
<-------আদ্যনাথ ------>
(প্রথম পর্ব)
শুন শুন শুন শ্যামবিহার ফেজ2 বাসী গন
শুন দিয়া মন,
আমাদের পিনিকের বিবরণ করিতেছি বর্ণন।
এবারের পিকনিকে ছিলাম 35 জন,
পিকনিক জমেছিলো মনের মতন।
মাচিভাঙা কলকাতা 135 তে
জানো নিশ্চই এক অর্গানিক ফার্ম আছে,
টোনা নামে তারে সর্ব জনে জানে,
আসলে বাও-ডাইভার্স ফার্ম বলে মানে।
আমাদের পিকনিক স্পট ছিল সেই টোনাতে,
সকলের মান্যতাতে,
ভালোই ছিল সবকিছু হবে মানতে।
ফার্মের সৌন্দর্য ছিল মনের মতন,
আপ্যায়ন ও খাওয়াতে ওরা করেছে অধিক যতন।
সিনিওর সিটিজেনদের চারুইভাতি,
এমন ভাবনাটাই মনোরম অতি।
সকলে মিলে মিশে একদিনের আনন্দ,
সকলের মনে জাগে এক অনাবিল ছন্দ।
আমরা সকলেই সিনিওর সিটিজেন,
এভাবেই খুঁজেপাই সারা বৎসরের অক্সিজেন,
মাঘের শীতে আমাদের চড়ুইভাতি,
নুতন বৎসরের আনন্দ মিলন প্রীতি।
আমাদের বাস ছাড়লো একটু দেরিতে,
দেরি হলেও বাস ছাড়লো 8 টা 25 মিনিটে
বাসে মিনা দি দিলেন চকোলেট সবার
হাতে হাতে,
চকোলেট খেয়ে আমরা সকলে রাজার মেজাজে।
একে অন্যের সাথে মিশে এক পরিবেশে,
সকল মন গুলি বুঝি হারায় আবেশে।
ফার্মে পৌঁছে সবুজের সমারোহে মন জুড়ালো,
সকালের সুন্দর ব্রেকফাস্টে পেট জুড়ালো।
কড়াইশুটির কচুড়ি, ফুলকপির বাহারী,
ডিম সেদ্ধ, জয়নগড়ের মোয়া,নানান অর্গানিক সস ও চাটনি।
সাথে অর্গানিক চা ও লাল চা।
ঔষধি চা-পানে শরীর মন সুস্থ ও সুন্দর অনুভূতি।
সেই চা পানের আনন্দ কিকরে ভুলি!
তারপরে ভেজ ও চিকেন পকড়া ও কফি।
যেমন আইটেম তেমন স্বাদ সে কি আর বলতে,
খাবারের জল ছিল সিলকরা বোতলেতে।
দুপুরের ভুঁড়ি-ভোজ-তো নয় ছিল মহা ভোজ মেনে নেওয়া,
কড়াইশুটি মিশ্রিত ভাত যেন গরম ভাতে সবুজের ছোঁয়া,
ফুলকপি দিয়ে ডাল সাথে ঝুর ঝুড়ি আলু ভাজা।
কাতলা মাছের সুস্বাদু কালিয়া,
সত্যই নিজের আজান্তে মন নিয়েছে কারিয়া।
বন্ধ করেছে সব কথার বুলি বোল,
কারন ছিলো কচিপাঠার মাংসের অপূর্ব ঝোল।
শেষে চাটনি, পাঁপর, ও মিষ্টি দই।
সুন্দর পরিবেশের না পাই থৈ।
নিরামিষাশী দের জন্য ছিলনা ভাবনা,
পনিরের তরকারি ও ধোকার ডালনা।
বিকেলে বিদায়েরকালে আদরকরে,
চা বিস্কুট দিয়েছে ফ্লাক্সে করে,
যেটুকু হোল ভালোই হলো সকলে মিলে,
শেষে ফার্মের প্রোডাক্ট কিছু সকলেই নিলেন কিনে।
এরপরে ঘরে ফেরা,
<-----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী------>
18/01/2025 ;;
টোনা অর্গানিক ফার্ম,
'TONA' Organic Farm
(Bio-Diverse Farming Pvt. Ltd)
P.O:-Village TONA Machibhanga
West Bengal:-700135
Mob:-9830096686
Board of Directors of the Farm:---
Nirmalya Ghosh.:-CEO.
Dr. Sudeep Roy.:-Chairman.
Dr. Sonali Sengupta.:-Founder Director & Chief Scientist.
Uday Bhanu Roy.:-Founder Director & Chief Innovator.
==========================
■■■■■■■■■■■■■■■■■■■
|| 2025 আমাদের পিকনিক ||
<-------আদ্যনাথ ------>
(দ্বিতীয় পর্ব)
পিকনিক আমাদের বাৎসরিক মিলন ক্ষণ
পিকনিক সকল দুঃখ জয় করার ক্ষণ।
এভাবেই চলছে চলুক আমাদের মনরঞ্জন,
বয়ঃবৃদ্ধ আমরা সদা যুবক সঞ্জীবন।
বনভোজন ক্ষনিক মনের জতন,
উদার হৃদয়ে হর্ষ বদনে আনন্দিত মন,
সকলে উল্লসিত কর্মব্যস্ত নিজের মতন,
এমনি করেই সুন্দর হয়েওঠে বনভোজন।
আনন্দপূর্ণ হৃদয়ে মুক্ত আকাশের নীচে,
সারাটা দিন,
যে যার মতন ভেসে যায় ভাবনায় সারা দিন।
অতীতের স্মৃতিগুলি বোধ হয় ভুলেজায়,
মন কতোকথা কতোগল্প বলেজায়
মাঘের শীত ও মিষ্টি রোদেও ছায়া,
শীতের মেজাজ বাড়ায় উত্তরের হওয়া।
শীতল স্মৃতিরোমন্থনে একটু নিরালা,
সকল বন্ধুর সাথে কিছু ভুলে যাওয়া।
রৌদ্র স্নানে প্রাণ খুলে মনের কথা বলা,
এভাবেই কিছুক্ষন হারিয়ে যাওয়া।
আহাঃ অপূর্ব 'টোনা' ফার্ম হাউসের আঙ্গনে,
আমরা জুটেছি চড়ুইভাতির আনন্দক্ষণে।
গত দুই মাস ধরে চলছিল সাজ সাজ রব,
আজ আমরা আনন্দ পূর্ন পরিবেশে মুখর,
বৎসর ভর চলবে আজকের স্মৃতিমন্থন, চড়ুইভাতি এক নির্মল আনন্দের শিহরণ।
চড়ুইভাতির আনন্দস্মৃতিই এমন,
শীতের পরশেই পিকনিকে টানেমন,
বৎসরভর নানাচিন্তা,অনেক কথার পরে,
স্থির হয় আবার আমাদের পিকনিক হবে।
পিকনিক/চড়ুইভাতি হয় বনভোজন,
খাবারের আইটেম যখন হয় মনের মতন।
বনভোজন হোক বা চড়ুইভাতি,
সুন্দরপরিবেশে ভোজনের আনন্দ অতি।
সকলে একসাথে আনন্দে মাতা মাতী,
শীতের বনভোজনের এমনই রীতি।
শীতের ছোঁয়ায় কন-কনি লাগে যখন,
আনন্দের বনভোজন জমেওঠে তখন।
শীতের পরশে প্রকৃতিকে করতে আপন,
আনন্দে-মেতেওঠেই বনভোজনের কারণ।
এতো সেই-পুরণ দিনের পিকনিক নয়
যে হাতপুড়িয়ে নিজেদের রান্নাকরতে হয়।
আজ তো সর্বত্র ডিজিটাল বনভোজন,
রান্নার ঠাকুর করেন রান্না অর্ডারের মতন।
আমরা আনন্দেমাতি পরিবেশের সাথে,
খাবার সময় সকলে বসি একসাথে।
খাবারের ফিরিস্তি আগেই তো দিলাম,
আনন্দ-ঘন-চিত্তে মনের কথা টুকুই লিখলাম।
যদিও ভোজন না হলে পিকনিক জমে না,
কিন্তু পিকনিকে না হয় যেন মানসিক উত্তেজনা।
পিকনিক এক আনন্দের ঠিকানা,
এবার আগামী বৎসরের প্রস্তাবনা।
প্রতিবৎসর নুতন উৎসাহের জল্পনা,
পিকনিক এক মিলনানন্দের ভাবনা।
আবার শুরু হোক আলাপ-আলোচনা,
আগামী বৎসরের আবার নুতন কল্পনা।
এভাবেই শুরুহবে আমাদের পরিকল্পনা,
আজথেকেই শুরু হোক নুতন প্রস্তাবনা।
কত চাওয়া না পাওয়ার হাসি কান্না,
বৎসর ভরের রোগ জ্বালা যন্ত্রনা। ক্ষনিকের ভুলেজাওয়া স্খলিত চেতনা,
প্রকৃতির খোলা হওয়ায় নুতন ভাবনা।
এভাবেই কিপনিকের ঐতিহ্য চেতনা
পিকনিক মানেই মেলবন্ধনের ঠিকানা।
পিকনিক যেন শীতের পরশ মনি,
পিকনিক সকল বয়সের আনন্দের খনি।
সত্যিই পিকনিক যেন আনন্দের ঠিকানা,
এবার আগামী বৎসরের প্রস্তাবনা।
প্রতিবৎসর নুতন উৎসাহের জল্পনা,
পিকনিক এক মিলনানন্দের ভাবনা।
<-----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী------>
18/01/2025 ;;
টোনা অর্গানিক ফার্ম,
========================+====
Comments
Post a Comment