1050>|| আমি ভবঘুরে +সেদিন প্রভাতে ||

 1050>|| আমি ভবঘুরে +সেদিন প্রভাতে ||


আমি ভবঘুরে এক পথিক,

ভ্রমণ পিপাসু এক পথিক,

পথ হারানো এক পথিক, 

চিরকালের এক পথিক।


আমি জানতে চাই  প্রকৃতিকে ,

ভালোবাসি চলার পথকে। 

খুঁজে বেড়াই ভ্রমনের আনন্দ ও জীবনের ছন্দ, 

পথ হারিয়ে চলি নিজের তালে নিজের পছন্দ।

ভ্রমণের মাঝে খুঁজি নিজেকে,

খুঁজে পাই কত অচেনাকে,

বুক জুড়িয়ে যায় খুঁজে পাওয়া চেনা অচেনাতে।

ভালোবেসে প্রকৃতির সাথে মিশে খুঁজি নিজেকে,

হঠাৎ পাওয়া জীবনের গভীর ভালোবাসাকে।

যে ভালোবাসা কোনদিন হারাবেনা, চিরদিন থাকবে হৃদয়ের অন্তরাত্মার সাথে হৃদয়ের গভীরে।


আমি চলতে ভালোবাসি তাই এগিয়ে চলি,

দেশ থেকে দেশান্তরে, 

আর এভাবেই পৌঁছতে চাই জীবন থেকে অনন্ত জীবনের পথে। 

যেখানে আছে শুদু প্রকৃতির অপরূপ ছন্দ, শান্ত নিবিড় মহাজাগতিক গভীর মনের একান্ত ছন্দ আর সুনিবিড় আনন্দ। 


ভ্রমণে যেমন প্রকৃতিকে চেনা যায় 

তেমনি নিজেকেও জানা যায়, 

আর খুঁজে পাওয়াজায় 

বেঁচে থাকার ছন্দ ও আনন্দ,

আর সেই কারণেই আমি ভ্রমন করি,

ভ্রমন করতে ভালোবাসি।


ভ্রমন তো শুধু মনের আনন্দে ঘুড়ে বেড়ানো নয়,

ভ্রমণে অনেক কিছুই মানতে হয়,জানতে হয়, শিখতে হয়।

ভ্রমন শিক্ষার এক অঙ্গ,

ভ্রমণে নিশ্চিত বাড়ে অনুষঙ্গ,

ভ্রমন জীবনের এক বিশেষ প্রসঙ্গ,


সমাজ, প্রকৃতি, জনজীবন,সংস্কৃতি,

ইতিহাস, ভূগোল সব কিছুকে জানা ও চেনা নিয়েই হয় ভ্রমন।

আর ভ্রমনের পথে নিজেকে উজাড় করে ভালোবেসে সকলের সাথে সকল সংস্কৃতির সাথে নিবিড় মিলন পরিচয় হলেই সার্থক হয় ভ্রমন।

তাইতো ভ্রমনের মূল্যান

এক অমূল্য সম্পদ,

প্রজাপতি যেমন  ফুলের সৌন্দর্যে আকৃষ্ট হয়ে ফুলে ফুলে নেচেবেড়ায়,

মধুকর, মধু আহরণে বিভোর হয়ে যায়,

মধুর গন্ধে ফুলে ফুলে ঘুরে ঘুরে বেড়ায়।

ফুলের পরাগ মাখে নিজের অজান্তে ফুলের বংশ বিস্তারের সহায়ক হয়ে।


ভ্রমণও সেই রূপ প্রকৃতির অমোঘ টানে নিজের মনে জড়িয়ে নেওয়া নানান স্মৃতি,

সৌন্দর্য, কতো মানুষের ভালোবাসাকে জড়িয়ে নুতন নুতন সংস্কৃতির আদান প্রদান করা।

নিজের অজান্তে সহজে কতো শিখে নেওয়া,

ভূগোলকে দেখে চিনে নেওয়ার জ্ঞান।

চিন্তা-রূপ মনের শক্তির প্রদীপে একটু তেল যুগিয়ে দেওয়াই ভ্রমনের কলা ও 

বীজ্ঞান।

তাইতো আমি আনন্দে ভ্রমন করি,

<--ভবঘুরে আমি আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->



__________________

        || সেদিন প্রভাতে ||

সেদিন মনোরম এক প্রভাতে

নদীর তীরে এক ঋষির তপোবনে,

মুখরিত সেই স্থান বিহগ কলতানে।

শরতের নির্মেঘ আকাশে ভোরের সূর্য যেন ছড়িয়ে দিচ্ছে আলোক রশ্মি আপন মনে


ভোরের শান্ত নদীর বুক থেকে ভেসে ওঠা অতি মধুর শীতল হাওয়া

যেগুলি তীরস্থ বৃক্ষ পত্র গুলিকে স্পর্শ করে ছড়িয়ে দিচ্ছে শীতল হাওয়া, 

তাই বুঝি এক শান্ত মৃদু পত্রমর্মর শোনা যাচ্ছে গভীরমনে,

পুষ্পবিতানে মকরন্দ-অভিলাষীদের ভিড়,

চারিদিক মৌমাছির গুণ গুনে অস্থির।

নির্মেঘ আকাশে বালার্কের রক্তিম রেখা,

বিহগকলতানমুখরিত পলাশের শাখা।

   <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->


======================



Comments

Popular posts from this blog

1087> || আজ হোলি ||-2025

1093>|| মৃত্যু::---||

1088>|| হার--জিত ||