1044/1>|| অপেক্ষার উপেক্ষা ||(1--3)

   1044/1>|| অপেক্ষার উপেক্ষা ||

   1044/2>||  অপেক্ষা এক সম্ভবনা ||

    1044/3>||  সুখের মূল ||


=====================


1044/1>|| অপেক্ষার উপেক্ষা ||

         <------আদ্যনাথ------>

অপেক্ষা নূতনের সম্ভবনা,

নুতন উদ্ঘাটিত হলেই অপেক্ষা মূল্য হীন।

উপেক্ষা দম্ভের পরিচয়।

উপেক্ষা বিশ্বস্ত জেনেও অজান্তেই অনেক হারায়। 


দম্ভের শেষ দুঃখ ময়,

উপেক্ষার দম্ভ অন্ধকার ময়।

অপেক্ষা যখন বিধ্বস্ত সময়ে,

মন উপেক্ষাকেই বিশ্বাস করে।

উপেক্ষা নিষ্ঠুর, যাতনা অনুভব করে,

অপেক্ষার শেষ লগ্ন গ্লানিতে ভরে।


নূতনের উৎস সঠিক না হলে,

অপেক্ষা সম্ভবনার করুন ছলে।

অপেক্ষাএক সীমাহীন সাহিত্য,

উপেক্ষা দেখেও না দেখা সত্য।


জীবনের না আছে শুরু নাই অন্ত,

জীবন চক্র ঘুরছে,বেগ তার দুরন্ত।

অপেক্ষা চলছে চলবে কালন্ত,

অপেক্ষার উপেক্ষা সীমাহীন অনন্ত।


অপেক্ষা যদি হয় জীবনের অঙ্গ,

উপেক্ষা অজান্তেই নিজে অন্ধ।

অপেক্ষা যদি হয় সম্ভাবনার সঙ্গ,

উপেক্ষা জীবনে অন্ধকারের সঙ্গ।


জীবনটাই যেন অপেক্ষা সম্ভাবনার,

অপেক্ষা দশ মাস জীবনের সম্ভাবনা।

ভূমিষ্ঠ হওয়া মাত্র শুরু অপেক্ষা, 

জীবন জীবনের কারণে অপেক্ষা।


অপেক্ষার  উপেক্ষা কখনো ভাবায়,

উপেক্ষা বুঝি জীবনকে অকুলে ভাসায়।

অপেক্ষা সর্বদা এক সম্ভাবনা,

উপেক্ষা নিজের অজান্তে বেদনা।

   <-----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->

==========================


1044/2>||  অপেক্ষা এক সম্ভবনা ||

                      <------আদ্যনাথ------>

জীবন সুন্দর হয় জীবনের মিলনে,

সৃষ্টির বীজ বপন মিলনের কারণে,

দুটি জীবনের মিলনে নূতনের সৃষ্টি।

নূতনের অপেক্ষা নিজ চাহিদা পূরণে।


এভাবেই এক বৃক্ষ থেকে সৃষ্টি বিশাল বনাঞ্চল।

একদিকে সৃষ্টি অন্য দিকে বিনাশ।

দুই চলে ঘড়ির কাঁটার মতন, শুধু সময়ের ব্যবধান।

অনন্ত সৃষ্ট অনন্ত শেষ, 

এও এক  কৃষ্ণগহ্বর।

কে জানে কোথায় তার শেষ।

সৃষ্টি,স্থিতি,লয়, এই তো জীবনের এক লয়। যা চলমান নাই শুরু নাই অন্ত।

চলছে তো চলছে ।

জীবন ও অপেক্ষা উভই চলমান ।

বিশ্ব ব্রহ্মান্ড চলমান ,

কেউ কিছুই নাই স্থির।

স্থির হলেই বিনাশ,

বিনাশ হলেই সৃষ্টি। 

শুধু সময়ের অপেক্ষা মাত্র।

তাই অপেক্ষা এক সম্ভবনা মাত্র, সময় তার গণনার মাত্রা 

সময়ই অপেক্ষার অফুরন্ত যাত্রা।

      <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->

==========================

  1044/3>||  সুখের মূল ||

           <------আদ্যনাথ------>

মানুষ মাত্রেই স্বয়ংসম্পূর্ণ,

তথাপি খুঁজে বেড়ায় সুখের মূল।

কস্তুরী মৃগের ন্যায়

জীবন ভর দৌড়ে বেড়ায়।


যে মূল প্রোথিত তার হৃদয় মাঝে, 

তারে খুঁজেতেই মানুষ হাহাকার করে।

জীবনে যে-পায় খুঁজে তারে,

সময় নাহি রয় সুখকে গ্রহণের তরে।


সুখের খোঁজে লোভ জড়িয়ে রয়,

লোভের তাড়নায় পথিক পথ হারায়।

পথ হারিয়ে শেষে জীবন বয়েজায়,

তবুও পায়না পথ লোভের তাড়নায়।


লোভের পথেই অহঙ্কারে বার-বাড়ন্ত,

অহঙ্কারের দম্ভ ও চাহিদা অফুরন্ত।

জীবন বয়েচলে নিজের অজান্তে,

হাঁ-হাঁ- কার রয়েজায় সময়ের অন্তে।


জীবনে কাঙ্খিত এতো স্বপ্নের নেশা,

সে পায়না কাঙ্ক্ষিত পথের দিশা।

তবুও ছুটে চলে কিছু উপুরী পেতে, 

জীবন যতক্ষন আকাঙ্খার অজুহাতে।


উপুরী পেতে মুলকে হারায়,

শেষ ক্ষণেও হাঁ-হাঁ-কার টি রয়ে যায়।

সব হারিয়ে এক অঙ্কের শেষ হয়,

জীবন তো নাটক বটে আর কিছুই নয়।


হাঁয় হাঁয় করে জীবন বয়েযায়,

খোঁজেনা সত্যকে পাবার উপায়।

সত্য কে খুঁজে পায় যে জন,

সেইতো ধরায় মানব শ্রেষ্ঠ জন।

  <-----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->

============================

Comments

Popular posts from this blog

1087> || আজ হোলি ||-2025

1093>|| মৃত্যু::---||

1088>|| হার--জিত ||